অতিরিক্ত ওজন কমাতে সহায়তা করে নারকেল

85

নারকেল যেমন কাঁচা খাওয়া যায়, তেমনই তৈরি করা যায় মজার সব পিঠা, পায়েস, নাড়ু, সন্দেশ ইত্যাদি। সাধারণত দুধ, তেল আরও কত কী তৈরি হয় নারকেল দিয়ে! ঝাল থেকে মিষ্টি সব রকম রান্নায় নারকেল ব্যবহার করা যায়।

প্রতি ১০০ গ্রাম নারিকেলে রয়েছে ক্যালোরি, ফ্যাট, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, কার্বোহাইড্রেট ও প্রোটিন। এছাড়াও ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি-৬ ও বি-১২ আছে।

নারকেল খেলে মেলে নানা উপকার। চলুন জেনে নেয়া যাক নারকেলের উপকারিতা সম্পর্কে-

নারকেলে অতিরিক্ত ক্যালোরি থাকায় তাৎক্ষনিকভাবে শরীরে শক্তি যোগায়। তাই কাজের মাঝে ক্লান্তি আসলে বা হালকা ক্ষুধা পেলে নারকেল খান,সঙ্গে সঙ্গে কর্মউদ্দীপনা জেগে উঠবে।

নারকেল র’ক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমিয়ে হার্টের সমস্যা দূর করে। নারকেলে যে ফ্যাটি এসিডের চেইনগুলো আছে সেগুলো কোলেস্টেরল বাড়ায় না বরং আথেরোসক্লেরোসিসের ঝুঁ’কি কমিয়ে হার্ট ভালো রাখতে সহায়তা করে।

নারকেল র’ক্তের ইন্সুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রনে রাখে এবং ডায়াবেটিস জনিত কারণে শরীরের ক্ষতি রোধ করে। নারকেল অতিরিক্ত ওজন কমাতে সহায়তা করে। এটি খুব অল্প ক্যালোরিতেই মেটাবলিজম বৃদ্ধি করে শরীরে শক্তি যোগায়। নারকেল খেলে সহসা ক্ষুধাও লাগে না তাই ওজন কমে।

নারকেল রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা বাড়ায়। লিভারের অসুখের ক্ষেত্রে হেপাটাইটিস সি, জন্ডিস ও অন্যান্য লিভারের অসুখে বেশ ভালো কাজ দেয় নারকেলের দুধ।

নিয়মিত নারকেল খেলে স্তন ক্যা’ন্সার, কোলন ক্যান্সা’র ও আরও কিছু ক্যান্সা’রের ঝুঁ’কি কমে যায় অনেকখানি। হাড়ে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম শোষণ করতে সাহায্য করে নারকেল। এটি দাঁত ও হাড়ের গঠনে ভূমিকা রাখে।

অস্ট্রিওপোরেসিস, অস্ট্রিও আর্থারাইটিস, যে কোনও হাড় সংক্রান্ত রোগের চিকিৎসায় নারকেল ওষুধ হিসেবে কাজ করে।

নারকেল হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে এবং বিভিন্ন ভিটামিন, মিনারেল ও এমাইনো এসিড শোষণ করে নিতে সহায়তা করে। চুল ভালো রাখতে সাহায্য করে নারকেল। নিয়মিত নারকেল খেলে মাথায় খুশকি ও শুষ্কতা দূর হয় এবং চুল পড়া বন্ধ হয়।