আজহারী ও ৫ কোটি টাকা দামের বেন্টলি গাড়ি নিয়ে আলোচনা

217

বর্তমানে বাংলাদেশে ড. মিজানুর রহমান আজহারী একজন অন্যতম জনপ্রিয় ইসলামী বক্তা। বাংলাদেশের ইসলামী বয়ানের জগতে ধুমকেতুর মতো এসেছেন ড. মিজানুর রহমান আজহারী।

খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন দেশের প্রতিটি কোণে সব বয়সের মানুষের কাছে। এর মধ্যেই লক্ষ্য করা গেছে, তরুণদের মধ্যে আজহারীর জনপ্রিয়তা প্রবল।

দেখা গেল তাঁর মাহফিলে আসছেন লক্ষ লক্ষ মানুষ, চায়ের দোকানে বাজছে তাঁর বয়ান, ফেসবুক ও ইউটিউব সয়লাব আজহারীর মাহফিলের ভিডিওতে। এমতাবস্থায়ই শুরু হল তাঁকে ঘিরে বিতর্ক, হঠাৎ করেই তিনি দেশ ছাড়লেন।

মালয়েশিয়া থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ছবিতে দেখা যায়, আজহারী পাঁচ কোটি টাকা দামের একটি বেন্টলি গাড়ি চালাচ্ছেন।

এ নিয়ে আবার আলোচনার ঝড় ওঠে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এমতাবস্থায় দেখা যাচ্ছে, দেশে না থেকেও দেশের আলোচনার শীর্ষে অবস্থান করছেন ড. মিজানুর রহমান আজহারী।

উল্লেখ্য, চলতি বছর মার্চ পর্যন্ত মিজানুর রহমান আজহারীর সব মাহফিল স্থগিত করা হয়েছে। বিভিন্নস্থানে তার মাহফিলে বাধা আসছিলো। কোথাও কোথাও প্রশাসনের অনুমতি না থাকার কারণে তিনি মাহফিল করতে পারেননি।

তিনি মালয়েশিয়ায় চলে গেছেন এমন খবরও বেরিয়েছে। কিন্তু তাকে নিয়ে আলোচনা থামছেই না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে, ওয়াজ মাহফিলে, সংসদে তাকে নিয়ে আলোচনা চলছেই।

গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ সেকলোর নামে বিক্রি হচ্ছে ময়দার দানা !

মোড়ক দে’খে কারও বো’ঝার উপায় নেই ক্যাপসুলগুলো ন’কল। দে’খতে স্কয়ার ফার্মার তৈরি সেকলো-২০ ক্যাপসুলের মতো হলেও আ’সলে ভেতরে ময়দার দানা।

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে একটি ফার্মেসিতে অ’ভিযান চা’লিয়ে সেকলো-২০ ক্যাপসুলের আ’দলে বা’নানো ২২৯ পাতা নকল ক্যাপসুল জ’ব্দ ক’রেছে ভ্রা’ম্যমাণ আ’দালত।

গত বুধবার সকালে পৌরসভার আলম ফার্মেসিতে এ অ’ভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বা’হী ক’র্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমিন।

মো. রুহুল আমিন বলেন, ‘স’ন্ধ্যায় একজন ফেসবুক ইনবক্সে ন’কল সেকলো ক্যাপসুল বি’ক্রির বিষয়টি আমাকে জা’নায়।

অ’ভিযোগ পেয়ে প্রথমে দুই ফার্মেসি থেকে দুই ধ’রনের সেকলো কিনে বাসায় নিয়ে এসে পরীক্ষা ক’রলাম। আসল সেকলোর দা’নাগুলো ছোট ছোট।

ক্যাপসুলের গায়ে স্কয়ার লেখা আছে। দানাগুলো তিতকুটে ধরনের স্বাদ। আর নকল সেকলোর দানাগুলো হোমিওপ্যাথিক দানার সাইজ। ক্যাপসুলের গায়ে স্কয়ার লে’খা নেই। দানাগুলোর স্বাদ ময়দার মতো।’

‘পরে আজ সকালে ওই ফার্মেসিতে অ’ভিযান চা’লিয়ে ২২৯ পাতা সেকলো ক্যাপসুল জ’ব্দ করি। এর মধ্যে ২২৪ পাতা ওষুধই ছিল ন’কল।

মূলত বাজারে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধের চা’হিদা বেশি থাকায় অসা’ধু ব্যবসায়ীরা নক’ল সেকলো বাজারজাত ক’রছে। এসব নকল ওষুধ জ’নস্বাস্থ্যকে হু’মকির মু’খে ফে’লছে।’-বলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

তিনি আরও বলেন, ‘ওই ফার্মেসিতে অ’ভিযানে প্রায় এক লাখ টাকার সরকারি ওষুধও পাওয়া গে’ছে। অ’ভিযানের খবর পেয়ে ফার্মেসি মা’লিক পা’লিয়ে গেছেন। আমরা ফার্মেসিটি ব’ন্ধ করে দি’য়েছি। মালিককে ধরতে অ’ভিযান চ’লছে।’