‘আয়াতুল কুরসি’ পড়ে মাঠে নামেন ফুটবলার হামজা !

252

বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত ইংলিশ ফুটবলার হামজা চৌধুরী। হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার স্নানঘাটের সম্ভ্রান্ত দেওয়ান পরিবারের মেয়ের সন্তান তিনি। তার বাবা জ্যামাইকান।

হামজার জন্ম ইংল্যান্ডে। সেখানেই বসবাস ও বেড়ে ওঠা তার। সেই সূত্রে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব লেস্টার সিটির হয়ে খেলেন হামজা। বাংলাদেশের ফুটবল অনুরাগীদের কাছে বেশ পরিচিত এ তরুণ।

এখন মায়ের সঙ্গে মিড ইস্টল্যান্ডে থাকেন হামজা। ব্রিটিশ হলেও অনর্গল বাংলায় কথা বলতে পারেন তিনি। তার মা তাকে বাংলাদেশের পরিবেশে বড় করেছেন।

হামজার ভাষ্যমতে, ২০ বারের বেশি বাংলাদেশে এসেছেন তিনি। সবশেষ এসেছেন ৪ বছর আগে। পেশাদার ফুটবলে যুক্ত হওয়ার আগে।

হামজা ইসলাম ধর্ম অনুসারী। নিয়মিত পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কোরআন পড়েন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এই ফুটবলার। বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারেও সে কথা স্বীকার করেন হামজা। ফুটবল মাঠে নিজের সফলতার মন্ত্র জানাতে গিয়ে হামজা বলেন, প্রতিটি ম্যাচে মাঠে নামার আগে আমি ‘আয়াতুল কুরসি’ পাঠ করি। এটি আমার মধ্যে আত্মবিশ্বাস যোগ করে ও আস্থা বাড়ায়।

উল্লেখ্য, দ্বিতীয় বিভাগে ৪৮ ম্যাচ খেলেছেন হামজা। এর মধ্যে ২০১৭ সালের ২৪ এপ্রিল রিডিংয়ের বিপক্ষে গোল পান তিনি। গায়ে এখনো ইংল্যান্ড জাতীয় দলের জার্সি চড়েনি।

তবে পারফরম করে যেতে পারলে সেই সুযোগও পেয়ে যাবেন সিলেটি ওয়ান্ডারম্যান। ইতিমধ্যে ইংল্যান্ড অনূর্ধ্ব-২১ দলের হয়ে ৭টি ম্যাচ খেলেছেন হামজা।

ভারতের কাছে বিশ্বকাপ বিক্রি: যা বলল আইসিসি

গত মাসে শ্রীলংকার সাবেক ক্রীড়ামন্ত্রী মহিন্দানন্দ আলুথাগমাগে দাবি করেন ২০১১ সালের বিশ্বকাপ ভারতের কাছে ‘বিক্রি’ করে দিয়েছে শ্রীলংকা। তার এমন গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে দেশটির ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।

কয়েকদিনের তদন্তে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় শ্রীলংকার সেই সময়ের প্রধান নির্বাচক অরবিন্দ ডি সিলভা, অধিনায়ক কুমার সাঙ্গাকারা ও ওপেনার উপল থারাঙ্গাকে।

লংকান এ তিন ক্রিকেটারের জিজ্ঞাসাবদ শেষে শুক্রবার শ্রীলংকার তদন্তকারী অফিসার এসএসপি জগাথ ফনসেকা জানিয়েছেন, ওই ম্যাচ নিয়ে তদন্তে তারা ফিক্সিংয়ের কোনো প্রমাণ পাননি। যে কারণে তদন্ত স্থগিত করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) দুর্নীতিবিরোধী ইউনিটের প্রধান অ্যালেক্স মার্শাল বলেছেন, এই মূর্হুতে এমন কোনো প্রমাণ আমাদের সামনে উপস্থাপন করা হয়নি, যা অভিযোগটিকে সমর্থন করে বা আইসিসি দুর্নীতি দমন আইনের অধীনে তদন্ত শুরু করার যোগ্য।

তিনি আরও বলেন, ২০১১ বিশ্বকাপ ফাইনাল বা অন্য সকল ম্যাচ নিয়ে আমাদের সন্দেহ করার কোনো কারণ নেই। এই ধরনের অভিযোগ আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে থাকি ।

অভিযোগ নিয়ে কাজও করে আমাদের টিম। কিন্তু কোন প্রমান না পেলে, আমরা তা নিয়ে আর কাজ করি না। যদি অভিযোগের প্রমাণ আমরা পাই, তাহলে আমরা পর্যালোচনা করি।

২০১১ সালের বিশ্বকাপের ফাইনালে আগে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ২৭৪ রান সংগ্রহ করে শ্রীলংকা। টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৬ উইকেট হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে ভারত। ওই ম্যাচের পর অধিনায়ক ও সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব ছাড়েন সাঙ্গাকারা ও জয়াবর্ধনে।