ইতিহাসে এই প্রথম জাপানের সেরা তরুণ বিজ্ঞানী নির্বাচিত হলেন একজন বাঙালি

211

জাপানিজ সোসাইটি অব ইনহেরিটেড মেটাবোলিক ডিজঅর্ডার’স প্রতিবছর সেরা জাপানিজ তরুণ বিজ্ঞানী নির্বাচন করে থাকে। তবে ৬১ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম এ বছর জাপানের সেরা তরুণ বিজ্ঞানী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন একজন জাপান বহির্ভূত বিজ্ঞানী। তিনি হলেন বাংলাদেশের ডা. আরিফ হোসেন।

জাপানিজ সোসাইটি অব ইনহেরিটেড ম্যাটাবলিক ডিজঅর্ডার্স Lysosomal diseases এর mechanisms এবং চিকিৎসা আবিষ্কারের জন্য ডা. মো. আরিফ হোসেনকে এ সম্মান দিয়েছে। গত ২৪ অক্টোবর এ ঘোষণা প্রদান করে সোসাইটি।

ডা. আরিফ হোসেনের জন্ম গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীর ভাটিয়াপাড়ায়। তার পরিবারে ১১ ভাইবোনের মধ্যে ডা. আরিফ হোসেন সবার ছোট।

যদিও তিনি গ্রামের স্কুলে মেট্রিক পাস করেন, তিনি ঢাকার মিরপুর বাঙলা কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। পরবর্তীতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজে ভর্তি হয়ে প্রথমে এমবিবিএস পাস করেন এবং একই প্রতিষ্ঠান থেকে শিশু বিভাগে পোস্ট গ্রাজুয়েশন করেছেন।

ডা. আরিফ হোসেন জাপানের ওসাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে তিনি শিশু নিউরো-মেটাবলিক রোগে ক্লিনিক্যাল ফেলোশিপও করেন।

নিউরো-মেটাবলিক রোগের ওপর উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে ওই রোগের বিশেষজ্ঞ হিসেবে জাপানে সিনিয়র গবেষক হিসেবে কর্মরত রয়েছে। পুরস্কার পাওয়ার পর সংবাদ মাধ্যমকে ডা. আরিফ হোসেন বলেন, আমি অনেক আনন্দিত। এটা আমার জন্য ও বাংলাদেশের জন্য একটি অবিস্মরণীয় ঘটনা।

উল্লেখ্য যে, সুথুমু টাকাহাশীর সভাপতিত্বে তিনদিনব্যাপী এ সম্মেলনটি দেশটির আকিটা ক্যাসটল হোটেলে আয়োজন করা হয়। সম্মেলনটির আজ (শনিবার) শেষ দিন।

৭ বছরের আবু তাহার স্বপ্ন মসজিদে আকসায় নামাজ পড়া

মহানবী (সাঃ) বলেন,“মসজিদুল হারাম ছাড়া অন্যান্য মসজিদের তুলনায় আমার এই মসজিদে (নববীতে) একটি নামায হাজার নামায অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।” (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত ৬৯২নং)

“আর অন্যান্য মসজিদের তুলনায় মসজিদুল হারামের একটি নামায এক লক্ষ নামায অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।” (আহমাদ, মুসনাদ, বায়হাকী, জামে ৩৮৩৮, ৩৮৪১ নং)

একজন মুমিন বান্দার ইচ্ছা হবে মসজিদে আকসায় নামাজ পড়া এটাই স্বাভাবিক। ৭ বছরের শিশু ফিলিস্তিনের কনিষ্ঠতম কুরআনের হাফেজ ইয়াহিয়া নুরুদ্দীন রায়িস আবু তাহা।

ছোট্ট আবু তাহার একমাত্র ইচ্ছা হলো অসংখ্য নবি-রাসুলের আগমনের শহর জেরুজালেম নিজ চোখে দেখা এবং মসজিদে আকসায় নামাজ আদায় করা।

আবু তাহা’র ভাষায়, ‘আমার বয়স ৭ বছর। আমি আমার পিতা-মাতা ও শিক্ষকদের সহায়তায় মহাগ্রন্থ আল-কুরআনুল কারিম মুখস্ত করতে সক্ষম হই।’

পড়াশুনায় সফল হয়ে চিকিৎসক হওয়ারও স্বপ্ন দেখে ছোট্ট আবু তাহা। কনিষ্ঠ হাফেজ আবু তাহা’র একমাত্র ইচ্ছা জেরুজালেম শহর নিজ চোখে দেখা

এবং মুসলমানদের প্রথম কেবলা বায়তুল মুকাদ্দাসে নামাজ আদায় করা। আল্লাহ তাআলা ছোট্ট হাফেজ আবু তাহা’কে কুরআনের খাদেম হিসেবে কবুল করুন। আমিন।