করোনা চলাকালে ঘরের বাইরে পাবলিক টয়লেট ব্যবহার কতটা নিরাপদ?

710

পাবলিক টয়লেট ব্যবহার- মহা’মারী যদিও চলমান, তবু অনেক জায়গায় উঠতে শুরু করেছে লকডাউন। নানা প্রয়োজনে মানুষ বাইরে বের হয়ে আসছেন। বাইরে থাকাকালীন প্রস্রাব বা পায়খানার চাপ এলে আপনাকে অবশ্যই পাবলিক টয়লেট ব্যবহার করতে হবে।

করোনা’ভাইরা’সের এই দুর্যোগকালে পাবলিক টয়লেট ব্যবহার করা কি নিরাপদ? সেখানে আরও অনেকেই প্রয়োজনে আসতে পারে এবং পাবলিক টয়লেটের ছোট পরিসরে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাও সম্ভব নয়। সেখানে করোনা’ভাই’রাস ছড়িয়ে নেই, সে বিষয়েও আপনি নিশ্চিত নন। এই সময়ে পাবলিক টয়লেট ব্যবহার কতটা নিরাপদ সেকথাই জানাচ্ছে টাইমস অব ইন্ডিয়া-

একটি সমীক্ষায় বলা হয়েছে, আপনি যখন কোনো টয়লেট ফ্লাশ করবেন তখন এটি অ্যারোসোল ড্রপলেটগুলোর বাষ্প তৈরি করতে পারে যা প্রায় তিন ফুট উচ্চতায় পৌঁছায়। করোনা’ভাই’রাসের কারণে এটি এখন আগের চেয়েও বেশি সমস্যা।

কারণ ড্রপলেটগুলো কল্পনার চেয়েও বেশিদিন বাতাসে থাকতে পারে এবং পরবর্তী টয়লেট ব্যবহারকারী এর থেকে সংক্র’মিত হতে পারে। যদি এই ড্রপলেটগুলো সংক্রা’মক ভাই’রাস কণা বহন করে তবে এটি ভাই’রাসের ছড়িয়ে যাওয়ার ঝুঁ’কি বাড়িয়ে তুলতে পারে।

গবেষকরা জানতে পেরেছেন যে, পানি যখন কমোডে প্রবাহিত হয় তখন এটি ঘূর্ণি তৈরি করে এবং বায়ু প্রবাহে চাপ সৃষ্টি করে। এরপরে এটি কেন্দ্রীভূত শক্তি হতে পারে যা এই ছোট ছোট ড্রপলেট এবং অ্যারোসোল কণাকে প্রচুর পরিমাণে বাতাসে ঠেলে দেয়।

করোনা’ভাই’রাস ফুসফুস এবং উপরের শ্বসনতন্ত্রের কোষগুলোর সাথে সংযুক্ত হওয়ার বেশি সম্ভাবনা রয়েছে তবে এটি ছোট অন্ত্রকেও লক্ষ্য করে তুলতে পারে। যা শেষ পর্যন্ত করোনা’ভাই’রাসের অন্যান্য সাধারণ লক্ষণগুলোর পাশাপাশি বমি বমি ভাব, বমি এবং ডায়রিয়ার কারণ হতে পারে। অ্যারোসোল ভাই’রা’সের সংক্রা’মক কি তা নিয়ে তেমন কোনো গবেষণা বা স্ট্যাডিও নেই, এদিকে তেমন নজরও দেয় না কেউ।

পাবলিক টয়লেট একজনের পর একজন ব্যবহার করে থাকেন তাই ফ্লাশ করার আগে টয়লেটের ঢাকনাটি বন্ধ করা জরুরি। যেকোনো পাবলিক স্পেসই ঝুঁ’কি’পূর্ণ হতে পারে। তাই সব সময় স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখতে হবে। নিরাপদ থাকতে এবং অন্যকে সুরক্ষিত রাখতে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

আপনাকে যদি বাইরে বের হতেই হয় এবং দীর্ঘ সময় বাইরে থাকতে হয় তাহলে সঙ্গে সিট স্যানিটাইজারও বহন করতে পারেন। এটি ঝামেলা মনে হলে বাদ দিতে পারেন তবে হ্যান্ড স্যানিটাইজার, ডিসপোজেবল গ্লাভস এবং টিস্যু পেপার সবসময় সঙ্গে রাখুন। মাস্ক ছাড়া কোনো পাবলিক স্পেসে যাবেন না, পাবলিক টয়লেটে তো নয়-ই।

গণস্বাস্থ্যের কিটের রেজিস্ট্রেশন না দেয়ার সুপারিশ

গণস্বাস্থ্যের কিটের রেজিস্ট্রেশন না দেয়ার সুপারিশ দিয়েছে ওষুধ প্রশাসনের টেকনিক্যাল কমিটি। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাতে গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

সংস্থাটি জানায়, কিটের সেনসিভিটি গ্রহণযোগ্য মাত্রার নিচে। অর্থাৎ ৬৯ দশমিক ৭ শতাংশ। দেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনা’ভাই’রাসে আ’ক্রা’ন্ত রোগী শনাক্ত হয়।

আজ পর্যন্ত রাজধানীসহ সারাদেশে করোনাভা’ইরা’সে আ’ক্রা’ন্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২৭ হাজার ৬০৭ জনে। অদৃশ্য এই ভাই’রাসে মোট মা”রা গেছেন এক হাজার ৬২১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় মা”রা গেছেন ৩৯ জন।