কাপড়ের দোকানের কর্মচারী থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

85

রাজধানীর গাউছিয়া মার্কেটে ৯০ দশকে একটি কাপড়ের দোকানে সেলসম্যান হিসেবে কাজ করতেন মনির হোসেন। তারপর শুরু করেন কো’কারি’জের ব্যবসা। এক পর্যায়ে স্বর্ণ চো’রা’চালা’নির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। বিদেশ থেকে অ’বৈ’ধভাবে বিপুল স্বর্ণ দেশে আনেন।

এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি মনিরকে। গ্রে’প্তা’রের পর তার বিভিন্ন ‘অ’পক’র্মের’ তথ্য পায় র‌্যাব। এর আগে শুক্রবার রাত ১০টা থেকে রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় অ’ভি’যান শুরু হয়। অ’ভিযা’নে তার বাসা থেকে একটি বিদেশি পি’স্ত’ল,

কয়েকটি গু’লি, বিদেশি ম’দ এবং প্রায় দশটি দেশের বৈদেশিক মুদ্রা উদ্ধার করা হয়, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় দশ লাখ টাকা। এছাড়া ৬০০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার (আট কেজি), নগদ এক কোটি নয় লাখ টাকা জ’ব্দ করা হয়েছে।

র‌্যাব বলছে, গোল্ডেন মনির মূলত একজন হু’ন্ডি ব্যবসায়ী। তিনি স্বর্ণ চো’রাকা’র’বারি এবং ভূমির দা’লা’লির সঙ্গেও জড়িত। তার ‘অটো কার সিলেকশন’ নামে গাড়ির একটি শোরুম রয়েছে। পাশাপাশি গাউছিয়াতে একটি স্বর্ণের দোকানও আছে।

র‌্যাব মুখপাত্র লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, মূল যে অ’ভিযু’ক্ত মনির হোসেন ওরফে গোল্ডেন মনির একজন হু’ন্ডি ব্যবসায়ী। সেই সঙ্গে স্বর্ণ চো’রাকা’রবারি এবং ভূমির দালালও। আমরা তার বাসা থেকে দুটি বিলাসবহুল অনুমোদনবিহীন বিদেশি গাড়ি জ’ব্দ করতে সক্ষম হয়েছি।

এক একটি গাড়ির দাম প্রায় তিন কোটি টাকা। একইভাবে কার সিলেকশন শোরুম থেকেও তিনটি বিলাসবহুল অনুমোদনহীন গাড়ি জ’ব্দ করেছি।

তিনি বলেন, গ্রে’প্তা’রকৃত মনির ৯০ দশকের দিকে গাউছিয়া মার্কেটে একটি কাপড়ের দোকানের সেলসম্যান হিসেবে কাজ করতো। পরবর্তীতে কো’কারি’জের ব্যবসা এবং তার পরবর্তীতে লাগেজ ব্যবসায় যুক্ত হয় মনির।

এ সময় সে ট্যাক্স ফাঁ’কি দিয়ে বিভিন্ন মালামাল দেশে আনার কাজ শুরু করে। এক পর্যায়ে স্বর্ণ চো’রাচা’লান কা’রবা’রীদের সঙ্গে নিজেকে জড়িয়ে ফেলে এবং বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ অ’বৈ’ধভাবে বিদেশ থেকে বাংলাদেশে নিয়ে আসে।

তার স্বর্ণ চো’রাচা’লান কা’রবা’রীদের রুট ছিল ঢাকা-সিঙ্গাপুর এবং ভারত। এসব দেশ থেকে মনির ট্যাক্স ফাঁ’কি দিয়ে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ বাংলাদেশের নিয়ে আসতেন। এর প্রেক্ষিতে তার নাম হয়ে যায় গোল্ডেন মনির।