কেউ এগিয়ে না আসায় করোনায় আ’ক্রা’ন্ত বৃদ্ধাকে হাসপাতালে ভর্তি করলেন মমতা

99

পরিচিত-পাড়া প্রতিবেশীদের থেকে অনেকেই সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে গিয়ে অমানবিক ব্যবহার করে চলেছেন করোনাভা’ইরা’সের আ’ত’ঙ্কে। তবে করোনায় আ’ক্রা’ন্ত বৃদ্ধাকে নিজে হাসপাতালে ভর্তি করে মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

জানা গেছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাড়ার এক বৃদ্ধ করোনায় আ’ক্রা’ন্ত হন। ভাই’রা’সের আ’ক্রম’ণে রীতিমতো গুরুতর অবস্থা হয়ে ওঠে তার। কিন্তু ওই পরিস্থিতিতে বৃদ্ধের সহযোগিতায় প্রতিবেশীরা কেউই এগিয়ে আসেননি।

বাধ্য হয়ে বৃদ্ধের বড় মেয়ে সোজা পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রীর কালীঘাটের বাড়িতে। ঘটনার কথা কানে যায় মুখ্যমন্ত্রীর। এরপরই উদ্যোগী হন মুখ্যমন্ত্রী। কালীঘাট থানার ওসিকে মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দেন বৃদ্ধকে হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে দেওয়ার। নির্দেশ মতো হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বৃদ্ধকে।

বিষয়টি নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার সাংবাদিক সম্মেলনে আক্ষেপ প্রকাশ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, ‘ভাগ্যিস মেয়েটি আমার কাছে এসেছিল। তা না হলে কী হত বলুন তো। শুধু তো ওই বৃদ্ধ মানুষটি নন, অনেকেই সাহায্য পাচ্ছেন না। কেউ এগিয়ে আসছে না। এটা খুবই চিন্তার আর দুঃখের বিষয়।’

শুধু তাই নয়, প্রবীণ নাগরিকদের জন্য একটা কভিড হেল্পলাইন চালু করার জন্যেও মুখ্যসচিব রাজীব সিনহাকে নির্দেশ দেন তিনি। কলকাতার পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা, স্বরাষ্ট্রসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কলকাতা পৌরসভার কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে তড়িঘড়ি ব্যবস্থা নিতে বলেছেন তিনি।

উল্লেখ্য, কলকাতা পৌরসভার ১৬টি বরো এলাকাতেই করোনা কলসেন্টার চালু করার কথা আগেই জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সেই কল সেন্টারে বসবেন করোনা জয়ীরা। আ’ক্রা’ন্তের রোগীরা ফোন করলেই সাহায্যের জন্য ছুটে আসবেন তারা। প্রয়োজনে ওই করোনাজয়ীরাই পৌঁছে যাবেন আ’ক্রা’ন্তের বাড়িতে। সূত্র : ইন্ডিয়া টাইমস।

ভাতা না পেয়ে অবস্থান!

হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার শিবপাশা ইউনিয়নের বয়স্ক, পঙ্গু, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতা না পাওয়া অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে ভুক্তভোগীরা। বৃহস্পতিবার দুপুরে শিবপাশা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের সামনে এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়।

এ সময় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলী আমজাদ তালুকদার জানান, ইউনিয়নের ১১১ জন ভাতা ভোগীদের কার্ড দেওয়ার জন্য এক হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে। প্রত্যেকে ৬ হাজার টাকা করে ভাতা পাওয়ার কথা ছিল।

কিন্তু বয়স্ক, পঙ্গু, বিধবা, প্রতিবন্ধী ভাতা কমিটির সভাপতি উপজেলা চেয়ারম্যান মর্তুজা হাসান ইউনিয়নের ভাতা ভোগী কার্ড আটকে রেখেছেন। যে কারণে তারা যথা সময়ে ভাতার টাকা না পেয়ে ভাতাভোগীরা মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

অবিলম্বে ভাতা টাকা না দিলে তারা বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুশিয়ারী উচ্চারণ দেন তারা। পরে এখবর পেয়ে স্থানীয় সংসদ অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ খান ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এসে ভাতা দেয়ার আশ্বাস দিলে তারা কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন।