কেমন জ্বর হলে বুঝতে হবে তা করোনার লক্ষণ

182

অনেকেই সাধারণ সর্দি-কাশি-জ্বরে আ’ক্রা’ন্ত হয়ে থাকেন ঋতু পরিবর্তনের এই সময়। তবে বর্তমানে বিশ্ব জুড়ে করোনা মহা’মা’রী আকার ধারণ করেছে এবং এর প্রধান উপসর্গই যেহেতু জ্বর, সেহেতু এই সময়ে জ্বর হলেই চিন্তিত হয়ে পড়ছেন।

তবে জ্বর-সর্দি হলেই করোনা নয়, করোনার আরও কিছু লক্ষণ রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, প্রতি বছর গোটা বিশ্বে ৩০-৫০ লাখ মানুষ ফ্লু বা ইনফ্লুয়েঞ্জায় আ’ক্রা’ন্ত হন।

এদের মধ্যে ২ লাখ ৯০ হাজার থেকে ৬ লাখ ৫০ হাজারের মৃ”ত্যু হয় শ্বাস প্রশ্বাস সংক্রান্ত অসুখ থেকে। ঘরে থেকে বিশ্রাম নিয়ে বা ওষুধ খেয়ে এই সব সমস্যা কমে যায়।

কখনও আবার ২ সপ্তাহের মধ্যে ঠিক হয়ে যায় নিজে থেকেই। কিন্তু করোনা এমনই এক ভা’ই’রাস যার নির্দিষ্ট কোনও ওষুধ এখনও বের হয়নি। এ কারণে এটি চিন্তিত করে তুলেছে গোটা বিশ্বকে।

সাধারণ জ্বর, ঠাণ্ডা লাগার থেকে করোনা অনেক বেশি বিপ’জ্জন’ক। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একে অজানা বিপদ আখ্যা দিয়েছে। এই ভা’ইরা’সে আ’ক্রা’ন্তদের বেশিরভাগের শরীরে জ্বর দেখা দেয়। কারও এর সঙ্গে থাকে শুকনো কাশি, ক্লান্তিভাব, পেশিতে ব্যথা থাকে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কাশি বা সর্দির লক্ষণ দেখে বোঝা সম্ভব নয়, তা সাধারণ ঠাণ্ডা লাগা না করোনা’ভাই’রাস। তবে করোনা হলে জ্বর বাড়তে থাকে দ্রুত। এছাড়া কাশি, ক্লান্তি, গায়ে ব্যথার পাশাপাশি কখনও কখনও বমিও হতে পারে। দু’ক্ষেত্রেই নিউমোনিয়াও দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সাধারণ সর্দি, জ্বর হলে করোনাভা’ইরা’সের পরীক্ষা করানোর প্রয়োজন নেই বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা। যদি জ্বরের সঙ্গে শ্বাসকষ্টের সমস্যা থাকে তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যেতে হবে। আর যদি জ্বর বেশি সময় ধরে থাকে তাহলে অবশ্যই বিষয়টাকে গুরুত্ব দিতে হবে।