ক্যাম্পাসে গ্র্যাজুয়েট মায়ের ছবি তুলছে ছেলে, ফেসবুকে প্রশংসিত

146

গ্র্যাজুয়েট মায়ের ছবি তুলছে ছেলে- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তনে মোবাইল হাতে গ্র্যাজুয়েট মায়ের ছবি তুলেছে ছেলে। তারপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভা’ই’রা’ল হওয়ায় বেশ প্রশংসার জোয়ারে ভাসছেন তারা।

গতকাল শনিবার লাভ ইমোজি সংযুক্ত করে ‘গ্র্যাজুয়েট মায়ের ছবি তুলছে তার ছেলে! জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়!’ ক্যাপশন দিয়ে এভারগ্রিন বাংলাদেশ ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করেন একজন। তখনই মুহুর্তে ভা’ই’রা’ল হয়ে যায় মা-ছেলের এই ছবিটি।

ছবিতে দেখা গেছে, লাল শাড়ি পরে সমাবর্তন বোর্ডের সামনে দাঁড়িয়ে পোজ দিচ্ছেন এক গ্র্যাজুয়েট। তার মাথায় সমাবর্তন টুপি ও গায়ে গাউন। আর মাথায় টুপি ও শীতের পোশাক পরিহিত এক শিশু মোবাইলের ক্যামেরায় ওই গ্র্যাজুয়েটের ছবি তুলছে।

ছবির প্রতিক্রিয়ায় একজন লিখেছেন, ‘আমার ছেলে একদিন আমার ছবি তুলবে। ইনশাআল্লাহ।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘সেরা ছবি।’ ছবিটি পোস্টের দুই ঘণ্টার ব্যবধানে লাইক জমা পড়ে ৭৫ হাজার। ২১৫ বারের বেশি শেয়ার হয়। আর মন্তব্যের ঘরে প্রশংসায় ছবিটিকে ভাসিয়ে দেন নেটিজেনরা।

ছবিটির ওই নারী ও শিশুর মধ্যে মা-ছেলে সম্পর্ক বলে জানানো হলেও এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। ওই গ্র্যাজুয়েট জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন বিভাগের ও কত সেশনের শিক্ষার্থী ছিলেন তা র’হ’স্যই থেকে গেল। তবে এতে ছবির প্রশংসায় কোনো ভাটা পড়েনি।

এক মায়ের উচ্ছ্বাসকে তার ছেলের হাতে ক্যামেরাবন্দি হওয়ার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ নাড়া দিয়েছে। ছবিটিকে ২০২০ সালের সেরা ছবি হিসেবে ভূষিত করেছেন কেউ কেউ। অনেকেই নিজের ছেলের সঙ্গে এমন ছবি তুলবেন বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।

একজন লিখেছেন, সংসারের দায়িত্ব পালন ও সন্তান লালন করেও এই নারী দেশের স্বনামধন্য বিদ্যাপীঠ থেকে গ্র্যাজুয়েট করেছেন। নারীরা এ ছবি নিয়ে গর্ব করতেই পারেন। দীর্ঘ ১৪ বছর পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়েছে গতকাল শনিবার। সমাবর্তনে ১৯ হাজার গ্র্যাজুয়েটকে সনদ দেয়া হয়। এই সমাবর্তনের পর নিজেদের টুপি ও গাউন পরা ছবি ফেসবুকে শেয়ার করেছেন জবিয়ানরা।

চরম শীতে ছেলে বউ রাস্তায় ফেলে রাখল ৯০ বছরের বৃদ্ধা মাকে

পা বেঁ’ধে ঘরের বাইরে রাস্তায় ফে’লে রাখা হয়েছিল এক বৃদ্ধা মাকে। একে তো ঠাণ্ডা, তার ওপর মশার কা’ম’ড়। চলার ক্ষমতা প্রায় নেই তার। চিৎকার করে সাহায্য চাওয়ার ক্ষমতাও হা’রিয়েছেন ৯০ বছর বয়সের ওই বৃদ্ধা।

ভারতের সোনারপুরে সোমবার বিকেলে খবর পেয়ে রাজপুর-সোনারপুর পৌরসভার পৌরপ্রধান পল্লবকান্তি দাস গিয়ে বৃ’দ্ধাকে উদ্ধা’র করেন। স্থানীয় সূত্র জানায়, সোনারপুরের কোদালিয়ার চলপাড়ার বাসিন্দা মীনা দাস দীর্ঘদিন ধরে বার্ধ’ক্যজ’নিত অসুস্থ’তায় ভুগছিলেন।

কয়েকদিন ধরে মীনার ছেলে খোকন এবং তার স্ত্রী’ রীতা তাকে ঘর থেকে বে’র করে দিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁ’ধে রেখেছিলেন। মীনা দাসের কয়েকজন প্রতিবেশী জানান, প্রতিদিন সকালে মীনাকে ঘর থেকে বে’র করে গাছের সঙ্গে বেঁ’ধে রাখা হতো।

পরে সন্ধ্যায় ঘরে নেয়া হতো ওই বৃদ্ধাকে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওই বৃদ্ধার ছেলের স্ত্রী’ রীতা জানান, হাত-পা না বেঁ’ধে রাখলে শাশুড়ি প্রায়ই অন্য কোথাও চলে যেতেন। সেই বিড়ম্বনা থেকে বাঁ’চ’তেই শাশুড়িকে বেঁ’ধে রাখা হয়েছিল!