জীবন্ত বাড়ির উঠানেই পুতে দিল ওরা ! কতোটা অমানুষ !

638

আফরোজা মাত্র ২৪ বছরের গরীব ঘরের একটা মেয়ে। ৯ মাস আগে বিয়ে হয়েছিল স্থানীয় এক কলেজ প্রভাষকের সাথে।

প্রভাষক বাপ্পির আগেও দুইটা বিয়ে ছিল ওই দুই নারীকেও সহ্যের বাইরে নি”র্যা”ত”ন করায় তারা চলে গেছে। গ্রামের মেয়েরা এজ পসিবল সহ্য করে। দেখতে ভাল বলে স্বামী মা”রা যাওয়া আফরোজাকে তার চোখে ধরে।

মেয়ের ফ্যমিলি ভেবেছে শিক্ষিত ফ্যমিলিতে বিয়ে হচ্ছে। বাপ্পির তৃতীয় আর আফরোজার দ্বিতীয় বিয়ে হল। সেই সংসারে ছিল প্রথম স্ত্রীর মেয়ে। ৪-৫ বা ৬ তার বয়েস। আফরোজাই পালত।

মেয়েটি আফরোজাকে মা ডাকত। ওই ছোট মেয়েটাই লা”শ কোথায় সেটা বলে দিয়েছে। নতুবা আফরোজা প’র’কী’য়া’য় পলাতক এটাই এস্টাবলিশ থাকত। ওই বাড়ির মা’ই’র এমন ছিল যে, সে মার সহ্য না কর‍তে পেরে প্রতিবেশীদের ঘরে লুকাইত।

পুরা পরিবার মিলে গরীবের মেয়েটারে সাইজ করত। ঠিক আছে? ১০-১২ তারিখের মধ্যে যে কোনদিন আফরোজাকে খু”ন করা হয়। তার সারা শরীরে কা’ল’শি’টে দাগ, তার মুখের মধ্যে জুতো পুরে দেওয়া হয়েছিল।

কেমন ঘৃ”ণা নিয়ে নি”র্যা”ত”ন করেছিল ওরা। ওই নি”র্যা”ত”ন একজন করেনাই। পুরো পরিবার এতে সরাসরি জড়িত। মা’রা’র পরেই তারা রটালো প’র’কী’য়া করে চলে গেছে।

আমার কানে ওই দরিদ্র মায়ের কান্না এখনও বাজছে। তিনি বলছিলেন, ‘আর মাইয়ারে জেয়াতা গারি ফেলাইয়ে। হ জনে মিলি মাইরগে আই ত ন দেখি।’ এত কথা কেন বলছি? থানায় মামলা এখনও নেয়নাই।

লা”শ উদ্ধারের পরও। এটা ভা’ই’রা’ল ঘটনা না। তাই আফরোজার খু”নী স্বামী ও খু”নী পরিবারটি সহজেই গ্রাম্য পলিটিক্স সাজাচ্ছে। এরা পার পেয়ে যাচ্ছে।

অবশ্যই ক্ষমতায় থাকা দলে তাদের নাম আছে সেই প্রভাবটাই মুখ্য। কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। মা”র্ডা”রে”র আসামি পালিয়ে কী থাকতে পারে? পালাতে দিচ্ছে এটাই কথা। প্লিজ কেউ কী কিছু করবেন? বলবেন?

আসামিরা ১২ তারিখে নিখোঁজ ডিক্লেয়ার করে প’র’কী’য়া ছড়িয়ে। তার আগে যৌ’তু’কে’র একটি মামলায় কক্সবাজার পারিবারিক আদালতে আর নি”র্যা”ত”ন করবে না বলে জানিয়ে আপস করে। ১৬ তারিখে মেয়ের বাবা না’রী নি”র্যা”ত”নে”র মামলা দায়ের করেন।

ওই মামলাটিতেই ৩০২ ধারা যুক্ত হবে নতুন করে হ”ত্যা মামলা দায়েরের প্র‍য়োজন নেই বলে জানিয়েছেন ওসি মহেশখালী। এদিকে ভিকটিমের পরিবার বলছে মামলা থেকে শ্বশুরের নাম ও স্বামীর ভাইয়ের নাম বাদ দিতে একটি মাধ্যম এখনও সক্রিয়।