জেনে নিন দ্রুত বার্ধক্য আসে যে কারণে…

98

সবাই তারুণ্যের স্বাদ দীর্ঘ দিন পেতে চায়। তারুণ্য ধরে রাখার ইচ্ছাটা সবার। বার্ধ্যক্য কেউই চায় না। তবে চেহারায় বার্ধক্যের ছাপ পড়বে এটাই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, কেন না এটি প্রকৃতিরই নিয়ম। তবে অনেকে অকালে বুড়িয়ে যায়। চাইলে কিছু অভ্যাসে মানুষ দ্রুত বার্ধক্যের দিকে ধাবিত হয়।

চেহারায় তারুণ্য ধরে রাখার কিছু উপায় আছে। চাইলে দেখে নিতে পারেন-

খাদ্যাভাস : সুস্থ থাকার জন্য এবং ত্বক সুস্থ রাখতে দৈনিক খাবার তালিকায় তাজা ফল-মূল ও শাক-সবজি রাখতে হবে। দানাদার খাবারও রাখা চাই। এ ছাড়া তারুণ্য বজায় রাখতে রেড মিট, চিনি জাতীয় খাবার এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার পরিহার করা উচিত। এ জন্য একজন পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিয়ে সুষম খাদ্য গ্রহণ করুন, আর নিজেকে তরতাজা রাখুন।

দেরি করে শোয়া : নিয়মিত অন্তত ৬ ঘণ্টা ঘুম প্রতিটি মানুষের সুস্থতার জন্য জরুরি। যারা রাত জাগে তাদের নানা শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। রোজ দেরি করে বিছানায় গেলে মা’ন’সি’ক প্রশান্তি ন’ষ্ট হয়ে যায়। এ কারণে রাতে দ্রুত বিছানায় যেতে হবে, ৬ ঘণ্টা নির্বিঘ্ন ঘুম দরকার।

মানসিক চাপ ও হতাশা : মনে আনন্দ থাকাটা জরুরি। আনন্দ না থাকলে কুড়িতেই মানুষ বুড়ো হয়ে যায়। অতিরিক্ত মা’ন’সি’ক চা’প জীবন বি’ষি’য়ে দেয়। দীর্ঘ স্থায়ী মা’ন’সি’ক চা’প শরীরের কোষগুলো ক্ষ’তি’গ্র’স্ত করে। এতে ত্বকে সজীবতা ন’ষ্ট হয়ে যায়। চুল পাকতে শুরু করে। ত্বকের ছাপ পড়তে থাকে।

তাই বেশি দিন বাঁ’চ’তে হলে এবং তারুণ্য ধরে রাখতে হরে মা’ন’সি’ক চা’প ও হ’তা’শা কমাতে হবে। এ জন্য নিয়মিত খেলা, ব্যায়াম ও মেডিটেশনের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

বেশিক্ষণ বসে থাকা : বেশিক্ষণ বসে থাকলে শরীরে রো’গ বাসা বাঁধে, আয়ু কমে। যদি কেউ দীর্ঘ সময় অলস জীবন যাপন করে তা হলে তার চেহারায় পার্থক্যটা সহজেই ফুটে ওঠে। তখন তাকে বয়সের চেয়ে বেশি বয়স্ক দেখায়। এ কারণে নিয়মিত শরীরচর্চা করতে হবে, নিজেকে কাজে ব্যস্ত রাখতে হবে। শরীর ফিট রাখতে কায়িক শ্রম দিতে হবে।

অ্যা’ল’কো’হল : মাত্রাতিরিক্ত অ্যা’ল’কো’হল পানে মানুষ তাড়াতাড়ি বার্ধক্যের দিকে ধাবিত হয়। এ ছাড়া মস্তিষ্কও কার্যকারিতা হারায়। এ কারণে নিজেকে ফিট রাখতে হলে অ্যা’ল’কো’হল পরিহার করতে হবে।

খালি পেটে ভুলেও যা খাবেন না…

ব্যস্ততা বা নানা কারণে আমরা অনেক সময় আমরা খাবার দেরিতে খাই। যদিও সঠিক সময়ে খাবার খাওয়া উত্তম। আবার অনেক সময় দেখা যায় খালি পেটে যা ইচ্ছা তাই খাচ্ছি। তবে কিছু খাবার রয়েছে যা খালি পেটে খেলে বিভিন্ন ধরনের স’ম’স্যা হতে পারে।

খালি পেটে ৪ ধরণের খাবার খাওয়া উচিত নয়:

ফল: আমরা আমাদের ছেলে বেলা থেকেই জানি খালি পেটে ফল খেতে নেই। শুধুমাত্র একটি আপেল বা একটি কলা খেয়ে কখনই পেটের ক্ষুধা মিটে না। আপনি যদি ফল খেয়েই থাকেন তাহলে এর সঙ্গে আপনার খাওয়া উচিত কোনও প্রোটিন ধরণের খাবার। সামান্য পরিমাণ বাদাম, পিনাট বাটার বা পনির ফলের সঙ্গে খেতে পারেন।

ঝাল: আপনার প্রচণ্ড খিদে পেয়েছে,তাই হাতের কাছে পাওয়া ঝাল ঝাল কোনও মুখরোচক খাবার খেয়ে বসলেন।দেখবেন আপনার হজমের স’ম’স্যা তৈরি হবে। খালি পেটে ঝাল খাবার খেলে এই মশলা আপনার পাকস্থলীর আবরণের ওপর সরাসরি প্র’ভা’ব ফেলবে। তাই ঝাল খাবার খাওয়ার আগে দুধ বা দই খেতে পারেন। এতে সরাসরি ঝালের প্রভাব পাকস্থলীর ওপর পড়বে না।

কমলালেবু বা কফি : আপনি যদি কমলালেবু বা কফি খালি পেটে খেয়ে থাকেন তা হলে অ্যাসিডিটি তৈরি করবে। এতে পেট খা’রা’প হবার সম্ভাবনা তৈরি হয়। যাদের গ্যাস্ট্রিকের স’ম’স্যা রয়েছে, তাদের জন্য খালি পেটে কফি পান করাটা অত্যন্ত ক্ষ’তি’কর। সবজি পেটের জন্য এতোটা ক্ষ’তি’কর না। তাই সবজির সালাদ খেতে পারেন।

বিস্কুট বা চিপস : এমন হতে পারে আপনি আর দুই ঘণ্টা পর দুপুরের খাবার খাবেন, তাই এখন ভারী কিছু খেতে চাচ্ছেন না। কিন্তু বিস্কুট বা চিপস একেবারেই খাবেন না । কেননা এতে থাকা কার্বোহাইড্রেট কিছুক্ষণের মধ্যেই হজম হয়ে যাবে। ফলে আপনার খিদে খিদে ভাব দ্রুত ফিরে আসবে। সে ক্ষেত্রে খেতে পারেন ২৫০-৩০০ ক্যালোরির কোনও খাবার।