টাঙ্গাইলের এমপি আতাউর গুরুতর অসুস্থ, হেলিকপ্টারে এসেছেন ঢাকায়

90

অসুস্থ এমপি আতাউর- টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত এমপি আতাউর রহমান খান গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জরুরিভিত্তিতে হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় আনা হচ্ছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) রাত পৌনে ৮টার দিকে তাকে নিয়ে হেলিকপ্টারটি উড্ডয়ন করে। ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচে) তাকে ভর্তি করা হবে বলে জানা গেছে।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সুজাউদ্দিন তালুকদার জানান, সকালে আতাউর রহমান খান অসুস্থ হয়ে পরার পর তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। আতাউর খানের হৃদরোগ, রক্তে লবনাক্ততা কমে যাওয়া, পেটের পীড়াসহ নানা জটিলতা দেখা যায়। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।

টাঙ্গাইল পুলিশ সুপার (ডিসি) সঞ্জিত কুমার রায় জানান, ঢাকা থেকে বিমান বাহিনীর একটি হেলিকপ্টার রাত পৌনে ৮টার দিকে এমপি আতাউর রহমান খানকে নিয়ে যায়। তাকে ঢাকার সিএমএইচ হাসপাতালে নেওয়া হবে।

সোনালী ব্যাংকের সাবেক উপ-মহাব্যবস্থাপক আতাউর রহমান খান ২০১৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

রাতে ঢাকায় আনা হবে সাহারা খাতুনের ম’র’দেহ

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনের ম’র’দেহ রাতেই দেশে আসছে। আগামীকাল শনিবার রাজধানীর বনানী মসজিদ প্রাঙ্গণে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম জানান, স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী বনানী মসজিদ প্রাঙ্গণে বেলা ১১টায় জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে মায়ের কবরে শায়িত হবেন অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন।

এর আগে দলটির দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া জানান, সাহারা আপার ম’র’দেহ নিয়ে ইউএস বাংলার একটি ফ্লাইট ব্যাংকক সময় রাত ৯টায় বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হবে। রাতেই সেটি ঢাকায় পৌঁছাবে।

সাহারা খাতুন বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৪০ মিনিটে থাইল্যাণ্ডের বাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মা’রা যান। এর আগে দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ সাহারা খাতুনকে উন্নত চিকিসার জন্য গত ৬ জুলাই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে থাইল্যান্ডে নেওয়া হয়।

সাহারা খাতুন ২০০৮ সালে ঢাকা-১৭ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এই আসনে তিনি পর পর তিন বার সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সরকার গঠন হলে তিনি দেশের প্রথম নারী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। এর পর ওই মন্ত্রীসভায় তার দপ্তর পরিবর্তন হলে তিনি ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।