দীর্ঘদিন পর আবার চালু হচ্ছে পবিত্র ওমরাহ

94

অবশেষে সীমিত পরিসরে চালু হচ্ছে মুসলমানদের পবিত্র ওমরাহ। তবে সবার জন্য উন্মুক্ত করা হয়নি এ সুযোগ। প্রথম পর্যায়ে সৌদি আরবে বসবাসকারীরা নির্দিষ্ট কিছু শর্তপূরণ সাপেক্ষে ওমরাহ পালনের সুযোগ দেয়া হবে। এরপর ধীরে ধীরে বিদেশিরাও সুযোগ পাবেন।

দুবাই ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) এ খবর প্রকাশ করেছে। জানা গেছে, সৌদি আরবের স্থানীয়দের নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া মেনে প্রথমে নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধনের সময় করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট বাধ্যতামূলকভাবে দাখিল করতে হবে।

নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে ওমরাহ পালনের সময়, তারিখ উল্লেখ করে ‘ওমরাহ পারমিট’ দেয়া হবে। তবে এ সংক্রান্ত বিস্তারিত ঘোষণা ও পরিকল্পনা, ওমরাহ শুরুর তারিখ সম্পর্কে হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় খুব শিগগিরই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবে।

সৌদি সরকার জানিয়েছে, গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিল (জিসিসি) সদস্যভুক্ত দেশের (কাতার, কুয়েত, ওমান, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরব) নাগরিকরা মঙ্গলবার থেকে সৌদি আরবে যাতায়াত করতে পারবেন।

এক্ষেত্রে তাদের ভ্রমণের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে করোনা’ভাই’রাস পরীক্ষার নেগেটিভ সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এসব দেশের এক্সিট ও রি-এন্ট্রি ভিসা, ওয়ার্ক ভিসা, রেসিডেন্স পারমিট ও ভিজিট ভিসাধারীরা এ সুযোগ পাবেন।

ভারতে বজ্রপাতে ২৮ জনের মৃ’ত্যু

ভারতে বজ্রপাতে ২৮ জনের মৃ’ত্যু হয়েছে। এর মধ্যে বিহারে মা’রা গেছে ১৮ জন এবং উত্তরপ্রদেশে ১৩ জন। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভারী বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত যে হতে পারে, তা নিয়ে আগাম সতর্ক করেছিল দেশটির আবহাওয়া দফতর।

বাড়ির বাইরে বেরোলেও দুর্যোগের সময় লোকজনকে খোলা জায়গায় দাঁড়াতে নিষেধ করা হয়েছিল। সরকারি সূত্রের খবর অনুযায়ী, গতকাল মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বৈশালি জেলার রাঘবপুর ব্লকে বজ্রপাতে ৪ জন মা’রা গেছে।

এছাড়া রোহতাস, ভোজপুর, গোপালগঞ্জ ও সারান জেলায় ২ জন করে মা’রা গেছে। পাটনা, বেগুসরাই, আরারিয়া, সুপাউল, কাইমুর ও অন্য আর একটি জেলায় একজন করে বজ্রপাতে মা’রা গেছে।

বিহার সরকারের হিসাব অনুযায়ী, ২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ওই রাজ্যে ৩৩০ জনেরও বেশি মানুষ বজ্রপাতে প্রাণ হারিয়েছে।

এর মধ্যে শুধু ২৪ জুন সরকারি হিসেবে ১শ জনের মৃ’ত্যু হয়েছে। একই দিনে যোগীরাজ্য উত্তরপ্রদেশে বজ্রপাতে ১৩ জনের মৃ’ত্যু হয়েছে। ত্রাণ কমিশনার সঞ্জয় গোয়েল জানিয়েছেন, গজিপুরে চারজন মা’রা গেছে। এছাড়া কৌশাম্বিতে তিনজন, খুশিনগর ও চিত্রকূটে দু’জন করে মা’রা গেছে।

জৌনপুর ও চন্দৌলিতে একজন করে মা’রা গেছে। বজ্রপাতে প্রাণহা’নির খবরে দুঃখপ্রকাশ করেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। মৃ’ত’দের পরিবারের হাতে ক্ষতিপূরণের ৪ লাখ টাকা করে পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।