নিজের হোটেলকে হাসপাতাল বানিয়ে বিনামূল্যে সেবার ব্যবস্থা করেছে রোনালদো

1375

হোটেলগুলোকে হাসপাতালে রূপান্তর – বিশ্ব জুড়ে এখন এক আ’ত’ঙ্কে’র নাম করোনাভাই’রাস। এই করোনা মোকাবেলায় বিশ্বের অনেক ধনকুবের এগিয়ে আসছেন। এবার করোনা মোকাবেলায় অনন্য নজির স্থাপন করতে চলেছেন পর্তুগালের সুপারস্টার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।

করোনা ভা’ইরাসের সং’ক্র’ম’ণ থেকে নিজ দেশের মানুষকে রক্ষা করতে পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো নিজের ‘সিআর৭ পেস্তানা’ হোটেলগুলোকে হাসপাতালে রূপান্তরিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। চীনের হুবেই প্রদেশ থেকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট কোভিড-১৯ রোগ মোকাবিলায় এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

চীনের হুবেই প্রদেশ থেকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনাভা’ইরাসের কারণে সৃষ্ট কোভিড-১৯ রোগ মোকাবিলায় এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। আজ (১৫ মার্চ) রোববার এ খবর জানিয়েছে স্পেনের স্পোর্টস বিষয়ক দৈনিক মার্কা।

এক ঘোষণায় রোনালদো জানিয়েছেন, সিআর ৭ হোটেলগুলোতে করোনা ভা’ইরাসের কারণে সৃষ্ট কোভিড-১৯ রোগের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা পাওয়া যাবে।

এ ছাড়াও, জুভেন্টাসের এই ফুটবলার করোনাভাইরাস মোকাবিলায় কাজ করা চিকিৎসক ও কর্মীদের ব্যয়ভার নিজেই বহন করবেন বলে জানান।

এর আগে, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রকাশিত এক বার্তায় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো জানিয়েছিলেন, ‘সব কিছুর উর্ধ্বে আমাদের জীবন ও স্বাস্থ্যরক্ষার বিষয়টি কে প্রাধান্য দিয়ে করোনাভাইরাস সম্পর্কে কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা আমাদের মেনে চলতে হবে।’

প্রসঙ্গত, করোনাভা’ইরাসের কারণে সৃষ্ট কোভিড-১৯ রোগে এখন পর্যন্ত সারাবিশ্বে এক লাখ ৫৬ হাজার ৭৩০ জন আ’ক্রা’ন্ত হয়েছেন। মৃ”ত্যু হয়েছে পাঁচ হাজার ৮৩৯ জনের। রোগ মুক্ত হয়ে নিয়মিত জীবনে ফিরে গেছেন ৭৫ হাজার ৯৩৩ জন।

করোনায় আ’ক্রা’ন্ত কানাডার প্রধানমন্ত্রী ট্রুডোর স্ত্রী

চীনের উহান থেকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া নতুন করোনাভাইরাসে আ’ক্রা’ন্ত হতে পারেন এমন শঙ্কায় স্বেচ্ছায় আইসোলেশনে গিয়েছিলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ও তার স্ত্রী সোফি গ্রেগরি ট্রুডো। কিন্তু আইসোলেশনে যাওয়ার পরপরই ট্রুডোর স্ত্রী সোফির শরীরে করোনা শনাক্ত করা হয়েছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএ-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর শরীরের এখনো করনোভাইরাসের সং’ক্র’ম’ণ ঘটেনি। এছাড়া স্ত্রী সোভি করোনায় আ’ক্রা’ন্ত হলেও তার অবস্থা স্থিতিশীল। শারীরিক অবস্থা অতটা গু’রু’ত’র নয়। তারা দুজনই এখন ১৪ দিনের আইসোলেশনে রয়েছেন।

বিবিসির খবরে বলা হয়, বুধবার যুক্তরাজ্য সফর শেষে দেশে ফিরে সোফি গ্রেগরি অসুস্থতাবোধ করেন। পরে তার করোনার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়।

সেই পরীক্ষার প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর জানা যায় সোফি গ্রেগরি কোভিড-১৯ পজিটিভ। প্রতিবেদন পাওয়ার আগেই স্বেচ্ছা আইসোলেশনে যান তারা।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার শেষরাতে কানাডার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বিবৃতি দিয়ে এ খবর জানানো হয়। দুদিন পর অটোয়ায় প্রাদেশিক নেতাদের সঙ্গে ট্রুডোর যে বৈঠক হওয়ার কথা ছিল তা আপাতত স্থগিত। এছাড়া অন্যান্য নেতাদের যেসব ব্রিফিং, মিটিং আর আলোচনায় ভার্চুয়াল ভাবে অংশ নেবেন তিনি।

ট্রুডোর কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘প্রধানমন্ত্রীর শরীরে করোনাভা’ইরাসে কোনো উপসর্গ দেখা যায়নি। আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা ও চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তিনি ১৪ দিনের আইসোলেশনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।’ কানাডায় একজনের মৃ”ত্যু ছাড়াও ১৪৭ জন করোনায় আ’ক্রা’ন্ত হয়েছেন।