ফ্রান্সে মহানবী (সা.) কে নিয়ে কটু’ক্তির প্রতিবাদে ফুটবলারের হুঁশিয়ারি

46

সারাবিশ্ব বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনী এবং তার নামে ক’টু’ক্তির প্রতি’বাদে উত্তাল। বাংলাদেশেও চলছে প্রতি’বা’দী বিক্ষো’ভ-সমাবেশ। প্রতি’বাদে শামিল হয়েছেন ক্রীড়াঙ্গনের তারকারাও। এবার বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের গোলরক্ষক

শহীদুল আলম সোহেল এই ঘটনার তীব্র প্রতি’বাদ জানালেন। একইসঙ্গে হুঁ’শি’য়ারিও জানিয়েছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে তিনি এই প্রতি’বাদ জানান। তার স্ট্যাটাসটি তুলে দেয়া হলো-

সোহেল লিখেছেন, আল্লাহর কসম! রাসুলের প্রতি আমাদের এই আবেগ-ভালোবাসা বৃথা যাবে না। এসবের উপযুক্ত প্রতিদান আমরা আল্লাহর কাছে পাবো। রাসুলের প্রতি হৃদয়ের এই আবেগ-ভালোবাসা আমাদের ঈমানের প্রমাণ, আলহামদুলিল্লাহ্।

মুসলিম নামধারী মুনা’ফি’কদের অবস্থা খেয়াল করুন- রাসুলের অ’পমা’নচেষ্টায় ওদের কোনো অনুভূতিই হচ্ছে না! অথচ ওদের বাবা-মাকে নিয়ে কেউ একটা গা’লি দিলে সাথে সাথে তেলে-বেগুনে জ্ব’লে ওঠে। ওদের কাছে রাসুলের মর্যাদার বিশেষ কোনো গুরুত্ব নেই।

কারণ তারা রাসুলকে ভালোবাসে না। অথচ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের কেউ (ততক্ষণ পর্যন্ত) মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না আমি তার নিকট তার পিতা, তার সন্তান এবং সকল মানুষ অপেক্ষা প্রিয় হয়েছি।” [বুখারি, আস-সহিহ: ১৫; মুসলিম, আস-সহিহ: ১৭৮]

আল্লাহর রাসুলের মর্যাদার সামনে সমস্ত মুসলিমের র’ক্তও তুচ্ছ। আমাদের জীবন উৎসর্গীত হোক প্রিয় নবিজির মর্যাদা রক্ষায়। সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। এর আগে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের তারকা অলরাউন্ডার মেহেদি হাসান মিরাজও এই ঘটনার তী’ব্র প্রতি’বাদ জানিয়েছেন।

কিছুক্ষণ পর স্বাধীনতা পুরস্কার দেবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২০ প্রদান করবেন। সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এ পুরস্কারে ভূষিতদের হাতে পদক তুলে দেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন বলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে বলা হয়েছে। ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি), বাংলাদেশ বেতারসহ বিভিন্ন স্যাটেলাইট টেলিভিশন ও রেডিও চ্যানেল সরাসরি সম্প্রচার করবে।

এর আগে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনসহ সব কর্মসূচি বাতিল করা হয়। একইসঙ্গে স্বাধীনতা পদক দেওয়ার কর্মসূচিটিও স্থগিত করা হয়েছিল।

এ বছব পুরস্কারের জন্য মনোনীত বিশিষ্ট ব্যক্তিরা হলেন- স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের জন্য বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দাস্তগীর গাজী বীর প্রতীক, প্রয়াত কমান্ডার (অব.) আবদুর রউফ, প্রয়াত মুহম্মদ আনোয়ার পাশা ও আজিজুর রহমান।

চিকিৎসাবিদ্যায় অধ্যাপক ডা. মো. উবায়দুল কবীর চৌধুরী ও অধ্যাপক ডা. এ কে এম এ মুক্তাদির। সংস্কৃতিতে কালীপদ দাস ও ফেরদৌসী মজুমদার। এছাড়া শিক্ষায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের ভারতেশ্বরী হোমস্ এবার স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছে।

এটি দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক পুরস্কার। ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর এ পুরস্কার দিয়ে আসছে সরকার। সর্বশেষ ২০১৯ সালে ১৩ জন ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হয়।