বাবা-ছেলে একসঙ্গে উড়ালেন বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট !

1038

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে বাবা ও ছেলে একসঙ্গে ককপিটে দায়িত্ব পালন করেছেন। ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার দুপুর সোয়া ১২টায় ব্যাংককগামী বিজি-০৮৮ ফ্লাইটে।

ফ্লাইটটিতে ছিলেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বোয়িং ৭৩৭ এর ফার্স্ট অফিসার এরিক রেজা খোন্দকার এবং রিজেন্ট এয়ারওয়েজ থেকে স্বল্পমেয়াদি চুক্তিতে বিমানে যোগদান করা সিনিয়র পাইলট খোন্দকার নাজমুল ইসলাম।

বাবা ক্যাপ্টেন নাজমুলের ডানপাশে বসলেন ছেলে ফার্স্ট অফিসার এরিক। রোমাঞ্চকর ছিল সেই মুহূর্ত।

বাবার পাশে বসে ফ্লাইট চালানোর সেই মুহূর্তের অনুভূতি জানিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফার্স্ট অফিসার এরিক বলেন, মুহূর্তটি ছিল সত্যিই রোমাঞ্চকর। আমি মনে মনে গর্ববোধ করছিলাম। সে সময়ের পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছিল আমার বাবাও ককপিটে সন্তানকে একসঙ্গে পেয়ে গর্বিত ছিলেন।

এরিক বলেন, আমরা বাবা ছেলে একসঙ্গে ফ্লাইট পরিচালনা করলেও দুজনই ছিলাম পেশাদার পাইলটের ভূমিকায়। পরে আমরা বিষয়টি নিয়ে অনেকের মুখ থেকে প্রশংসা শুনেছি। তখন খুব ভালো লেগেছে।

উল্লেখ্য, বিমানে যোগদান করা সিনিয়র পাইলট খোন্দকার নাজমুল ইসলাম রিজেন্ট এয়ারওয়েজ থেকে স্বল্পমেয়াদে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে যোগ দিয়েছেন। মেয়াদ শেষে তিনি আবার রিজেন্ট এয়ারওয়েজে ফিরে যাবেন। অপরদিকে ফার্স্ট অফিসার এরিক রেজা খোন্দকার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে স্থায়ী পাইলট হিসেবে চাকরি করছেন।

যে গ্রামে বাস করলে মাসে পাবেন ৬৫ হাজার টাকা!

দক্ষিণ ইতালির পাহাড়-পর্বতময় গ্রামগুলোতে জনবসতি ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে। তাই মানুষকে সেখানে বসবাসের ব্যাপারে আগ্রহী করতে অভিনব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অন্য কোনো এলাকা থেকে এসে এসব গ্রামের যে কোনো একটিতে বসবাস করলেই মাস প্রতি মিলবে ৭০০ ইউরো (প্রায় ৬৫ হাজার টাকা)। তবে এ অর্থ কেবল প্রথম তিন বছরের জন্য দেয়া হবে এবং আগত ব্যক্তিটিতে অবশ্যই ব্যবসা শুরু করতে হবে।

গার্ডিয়ানের অনলাইন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রামগুলোর জনসংখ্যা অনেক কম। তাই এমন পদক্ষেপ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

ইতালির মোরিস অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট দোনাতো টোমা গার্ডিয়ানকে বলেন, ‘আমরা তহবিলের যোগান দিলে তা একটি দাতব্য ব্যাপার হয়ে যেত। আমরা আরও বেশি কিছু করতে চাই। আমরা চাই মানুষ এখানে নিজে বিনিয়োগ করুক।’

তিনি আরও বলেন, ‘তারা যেকোনো ধরনের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারবেন।

এটা হতে পারে খাবারের দোকান, রেস্তোরাঁ, স্টেশনারি দোকান কিংবা ছোটখাটো অন্য যেকোনো কিছু। আমাদের শহরে মানুষের আনাগোনা বৃদ্ধির উপায় হিসেবে আমরা এই পদক্ষেপ নিয়েছি।

মোরিসের প্রেসিডেন্ট টোমা আরও ঘোষণা দিয়েছেন, যেসব শহরে ২ হাজারের কম মানুষ বসবাস করে তাদের প্রত্যেকেই প্রতি মাসে ১০ হাজার ইউরো (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৯৩ হাজার টাকা) করে দেয়া হবে। যার মাধ্যমে অবকাঠামো নির্মাণ ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে গতি আসবে।

তিনি আরও বলেন, ‘এটা শুধু জনসংখ্যা বৃদ্ধির কোনো ব্যাপার নয়। মানুষের আর অবকাঠামো এবং এখানে থাকার উপায় থাকতে হবে। অন্যথায় তাহলে আমরা এটা বন্ধ করে দিব গত বছর ধরে আমরা যেটা শুরু করেছিলাম।’

ইতালির জাতীয় পরিসংখ্যান ইনস্টিটিউটের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, মলিস অঞ্চলের মোট জনসংখ্যা ৩ লাখ ৫ হাজার।

গত কয়েক বছর ধরে দেশটির যেসব অঞ্চলে মানুষের বসতি কমে যাচ্ছে তার মধ্যে অন্যতম হলো এই অঞ্চল। ২০১৪ থেকে এখানকার ৯ হাজারের বেশি মানুষ স্থায়ীভাবে চলে গেছে।