বিগত এক সপ্তাহে করোনা সং’ক্র’মণ কমেছে ১৬ শতাংশ

134

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা- ডব্লিউএইচও করোনা নিয়ন্ত্রণের সুখবর দিল। সংস্থাটির এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, গত এক সপ্তাহে বিশ্বব্যাপী ভাই’রা’সে সং’ক্র’মণ ১৬ শতাংশ কমে এসেছে। গত রোববার থেকে পূর্ববর্তী এক সপ্তাহের তথ্য বিশ্লেষণ করে ডব্লিউএইচও জানিয়েছে,

গত সপ্তাহে মৃ”ত্যু’র হারও ১০ শতাংশ কমেছে। এ সময়ের ব্যবধানে মা’রা গেছেন ৮১ হাজার এবং আ’ক্রা’ন্ত হয়েছেন প্রায় ২৭ লাখ মানুষ। জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর সিস্টেম সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের (সিএসএসই) তথ্য অনুযায়ী,

বুধবার মধ্যরাত পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী করোনা’ভাই’রাসে আ’ক্রা’ন্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ কোটি ৯৭ লাখ ২৯ হাজার ৫৭৯ জনে। এদের মধ্যে মৃ”ত্যু হয়েছে ২৪ লাখ ২৪ হাজার ৮৯৭ জনের। ডব্লিউএইচও আরও জানায়, বিশ্বের ছয়টি অঞ্চলের মধ্যে পাঁচটিতে করোনার সং’ক্র’মণ কমেছে।

এর মধ্যে আফ্রিকায় ২০ শতাংশ, পশ্চিম প্রশান্তমহাসাগরীয় অঞ্চলে ২০ শতাংশ, ইউরোপে ১৮ শতাংশ, আমেরিকায় ১৬ শতাংশ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ১৩ শতাংশ সং’ক্র’মণ কমেছে। তবে পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে করোনার সং’ক্র’মণ ৭ শতাংশ বেড়েছে বলে জানায় সংস্থাটি।

ফি দিতে না পারায় প্রেসক্রিপশনে ওষুধ লিখে কেটে দিলেন চিকিৎসক

দরিদ্র, অসহায় বৃদ্ধাকে দাবিমতো ফি দিতে না পারায় প্রেসক্রিপশনে লেখা ওষুধের নাম কেটে দেওয়ার অ’ভিযো’গ উঠল চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। অমানবিক এই ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের পঞ্চিমবঙ্গের পূর্ব বর্ধমানের কালনায়। অ’ভিযু’ক্ত চিকিৎসকের নাম জ্যোতির্ময় দাস।

অ’ভিযু’ক্ত চিকিৎসক কালনা মহকুমা হাসপাতালের প্রাক্তন চিকিত্সক। জানা গিয়েছে, বেশ কয়েক মাস ধরেই মাথা ও ঘাড়ের য’ন্ত্র’ণায় ভুগছিলেন কালনার নান্দাই গ্রামের বৃদ্ধা মালতী দেবনাথ। কিছুতেই সমস্যা মিটছিল না। একমাত্র রোজগেরে ছেলে কর্মসূত্রে মুম্বইয়ে থাকেন।

বৌমা ও নাতনিকে গ্রামের বাড়িতে থাকেন অসুস্থ মালতী দেবী। এরপর গত ৪ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় বাসিন্দাদের সাহায্যে কালনা মহকুমা হাসপাতালের প্রাক্তন চিকিৎসক জ্যোতির্ময় দাসের বৈদ্যপুর মোড়ের চেম্বারে দেখাতে যান তিনি।

সেদিন চিকিৎসককে তাঁর ফি মিটিয়ে দিয়েছিলেন মালতী দেবী। এরপর চিকিত্সকের নির্দেশমত বেশ কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করান তিনি। তারপর ১৩ ফেব্রুয়ারি মালতী দেবীর রিপোর্ট দেখাতে ফের জ্যোতির্ময় দাসের চেম্বারে যান তাঁর এক প্রতিবেশী।

রিপোর্টে জানা যায়, মালতী দেবী ব্রেন স্ট্রোক ও স্পন্ডাইলাইটিসে আ’ক্রা’ন্ত। সেইমতো প্রেসক্রিপশনে বেশ কিছু ওষুধ লেখেন চিকিৎসক জ্যোতির্ময় দাস।

অ’ভিযো’গ, এরপরই তাঁর দাবি মত ফি দিতে না পারলে, প্রেসক্রিপশনে লেখা ওষুধের নাম কেটে দেন চিকিৎসক জ্যোতির্ময় দাস। এই অমানবিক ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

দরিদ্র, অসহায়, অসুস্থ বৃদ্ধাকে এভাবে সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করার কারণে যারপরনাই ক্ষু’ব্ধ কালনার মানুষ। এদিকে এই ঘটনার পর থেকেই এলাকা ছেড়ে বেপাত্তা চিকিৎসক জ্যোর্তিময় দাস। সূত্র: জিনিউজ।