বিনামূল্যের বই দিয়ে অর্থ আদায়, বিদ্যালয়ে তালা

227

বই দিয়ে অর্থ আদায়- সরকারী বিনামূল্যে নতুন পাঠ্যবই বিতরণের সময় শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে বগুড়ার ধুনট উপজেলায় বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে । এই ঘটনার প্রতিবাদে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কার্যলয় ও শ্রেনী কক্ষগুলোতে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। আজ ২ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলার এলাঙ্গী দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার এলাঙ্গী দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় তিন শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। ওইসব শিক্ষার্থীদের জন্য বছরের শুরুতেই বিনামূল্যে বই বিতরণের জন্য সরকারিভাবে নতুন পাঠ্যবই সরবরাহ করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় নতুন পাঠ্যবই বিতরণের সময় ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বার্ষিক ফি বাবদ পাঁচশ টাকা, বিদ্যুৎ বিল একশ ২০ টাকা, ব্যাচ ফি একশ টাকা করে আদায় করা হয়। এছাড়া নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ওইসব খাতে টাকা আদায়ের সঙ্গে নতুন করে ভর্তি ফি বাবদ আরো দুইশ টাকা করে আদায় করা হয়েছে।

এদিকে, অবৈধভাবে টাকা নেওয়া অভিযোগে স্থানীয় লোকজন ও শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা ক্ষুব্ধ হয়ে সকাল ১১টার দিকে প্রধান শিক্ষকের কার্যালয় ও শ্রেণি কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দিয়ে প্রতিবাদ করেন। পরে শনিবার ওইসব শিক্ষার্থীদেরকে টাকা ফেরত দেওয়ার শর্তে এক ঘণ্টা পর তালাগুলো খুলে দেওয়া হয়।

বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি এমএ তারেক হেলাল বলেন, নতুন বই দিয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের ঘটনাটি সত্য। তবে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এই বিষয়টি আমাকে জানাননি। আগামী শনিবার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রউফ বলেন, আমি বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিদ্যালয় সংক্রান্ত কাজে বগুড়া জেলা শহরে অবস্থান করছিলাম। নতুন বই দিয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া বিষয়টি জানার পর তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম জিন্নাহ বলেন, বিনামূল্যের বই বিতরণের সময় টাকা নেওয়া বিধি সম্মত নয়। তাই খবর পেয়ে এলাঙ্গী দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতিকে টাকা উত্তোলনের জন্য নিষেধ করা হয়েছে। নিষেধ উপেক্ষা করা হলে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঘোড়ায় চড়ে ভিক্ষা করে ভালোই চলছে ফরিদের সংসার !

ভিক্ষুকটি আর কেউ নন, তিনি হলেন জামালপুরের ফরিদ। তিনিই ঘোড়ায় চড়ে ভিক্ষা করে ভা’ই’রা’ল হয়েছেন।

অত গরীব না, ভি”ক্ষা করলেও ঘোড়াই চড়ে ভি”ক্ষা করব” এমন একটি প্রবাদ সত্য প্রমাণ করেছেন জামালপুরে ফরিদ।

শারীরিক প্র’তি’ব’ন্ধী হওয়ায় কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন। উপায়ন্তর না পেয়ে বেছে নেন ভি”ক্ষা বৃত্তি। বিয়ে করেছেন ১০ বছর আগে। সেই সময় থেকে তিনি ঘোড়ায় চড়ে ভি”ক্ষা শুরু করেন। বর্তমানে স্ত্রীকে নিয়ে ভালোই চলছে তার সংসার।

গত সোমবার শহরের দয়াময়ী এলাকার ঘোড়ায় চড়ে তার ভি”ক্ষা”বৃত্তির ছবি ভা’ই’রা’ল হয় ফেসবুকে।

ফরিদ শারীরিক প্র’তি’ব’ন্ধী ভিক্ষাবৃত্তি করেন ঘোড়ায় চড়ে। ঘুরে বেড়ান শহর থেকে গ্রাম, রোজগারও ভালো হয়।

তিনি জানান, বিয়ে করেছেন ১০ বছর আগে সেই সময় থেকে তিনি ঘোড়ায় চড়ে ভি’ক্ষা করেন। স্ত্রীকে নিয়ে ভালোই চলে তার সংসার।

ফরিদ জানান, গত একমাস ঘোড়া ছাড়া ভিক্ষা করে দিনে তার আয় ছিল ৩০০ থেকে সাড়ে ৩৫০ টাকা। তবে বর্তমানে ঘোড়ায় চড়ে সারাদিন ঘুরে তার আয় ৫০০ টাকা ছাড়িয়ে গেছে।