বৃষ্টি থেকে রক্ষা করতে প্রতিমা আশ্রয় পেল নামাজ ঘরে !

302

বৃষ্টির হাত থেকে প্রতিমা রক্ষা করতে আশ্রয় খুঁজছিলেন মৃৎশিল্পী অসীম পাল। তার দুর্দশা দেখে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন প্রতিবেশি আফরোজা বিবি। নিজেদের নামাজ পড়ার ঘরেই প্রতিমা রাখার জায়গা করে দিলেন তার স্বামী ফরজ শেখকে জানিয়ে । সে ঘরে বসে দেবীর চোখও আঁকেন অসীম।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়া এক ব্লকের খাজুরডিহি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ভারতের সংবাদ মাধ্যম জানায়, প্রতিমা তৈরি করে সংসার চালান অসীম পাল। সম্প্রতি আটটি প্রতিমা তৈরির কাজ পান। নিজের থাকার ঘরে একটি প্রতিমা রাখতে পেরেছিলেন। বাইরে ত্রিপল টানিয়ে তৈরি করছি‌লেন বাকি সাতটি প্রতিমা। বুধবার থেকে লাগাতার বৃষ্টি শুরু হতেই ত্রিপল ভেদ করে বৃষ্টির পানি ঢুকতে শুরু করে। ধুয়ে যেতে থাকে প্রতিমার রঙ। গলতে শুরু করে মাটিও।

এরপর তার সহযোগিতায় এগিয়ে আসেন আফরোজা ও ফরজ শেখ। তারা এক এক করে প্রতিমা তুলে নিয়ে যান নিজেদের ঘরে।

ফরজ শেখ বলেন, ‘আমার প্রতিবেশি প্রতিমা তৈরি করেই সংসার চালান। এমন বৃষ্টিতে ও মুশকিলে পড়ে গিয়েছিল। তাই ঘর ছেড়ে দিয়েছি। কেউ বিপদে পড়লে কী তার জাতি-বর্ণ বিচার করলে চলে? সবার ওপর মানুষ সত্য।’

অসীম বলেন, ‘আমার বাড়িতে আর জায়গা ছিল না। বাড়ির উঠানে প্লাস্টিকের ছাউনি দিয়ে প্রতিমা তৈরি করছিলাম। কিন্তু যেভাবে বৃষ্টি নামে তাতে প্রতিমা তৈরির কাজ সম্পূর্ণ করা যেত ন। ফরজ সাহেব এগিয়ে এলেন বলেই কাজ শেষ করা সম্ভব হলো।’

স্বর্ণের গয়না গিলে ফেলেছে গরু, করছে না মলত্যাগ

বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে এসে এক গৃহিণী স্বর্ণের গয়না খুলে রেখেছিলেন রান্নাঘরের একটি পাত্রে। পরে সেই পাত্রেই ফেলেন সবজির উচ্ছিষ্ট আর তা খেতে দেয়া হয় একটি ষাড়কে। অবশেষে ৪০ গ্রাম স্বর্ণের গয়না গেল ষাড়ের পেটে।

ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিমবঙ্গের সিরসা জেলার এক গ্রামে। জেলার জনকরাজ নামে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে ঘটে এ ঘটনা।

গত পাঁচদিন আগে তার বাড়ির কাছে একটি ষাড় এলে গো-সেবার নিমিত্তে সেই ষাড়টিকে সবজির খোসা ভর্তি পাত্রটি দেয়া হয় খাবার হিসেবে। আর সেখান থেকেই সেখানে থাকা স্বর্ণও গিলে ফেলে ষাড়টি।

গয়নার কথা মনে পড়ার পর খুঁজতে গেলে রান্নাঘরের দরজার কাছে একটি কানের দুল পড়ে থাকতে দেখা যায় পরে বাড়ির সিসিটিভি ফুটের দেখে নিশ্চিত হওয়া যায় স্বর্ণ রাখা পাত্রেই করা হয়েছিল গো-সেবা।

তারপর স্বর্ণ গিলে খাওয়া বেওয়ারিশ ষাড়টিকে খুঁজতে লেগে যায় ৫ ঘণ্টা। ষাড়টিকে খুঁজে পাবার পর থেকেই ষাড়টিকে প্রচুর পরিমাণে খাইয়ে চলছে সে পরিবার, কারণ গিলে ফেলা স্বর্ণ উদ্ধারের একমাত্র উপায় এখন গোবর। কিন্তু বেয়ারা ষাড় গত তিনদিন কোনও মলত্যাগই করছে না। এতে বিপাকে পড়েছে পরিবারটি।

এ ঘটনার পর জেলার লাজপত রায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণী বিজ্ঞানের ডিরেক্টর রবিন্দর শর্মা বলেন, আগে এক্সরে করে দেখতে হবে ষাড়ের পেটে সোনা আছে কিনা। তারপর অপারেশন করে তা উদ্ধার করতে হবে। গোবরের মাধ্যমেও উদ্ধার করা যায় তবে তা জটিল প্রক্রিয়া।