ভারতের সেই পুলিশ কর্মকর্তা চাকরি ফিরে পেলেন দাড়ি কেটে

106

ভারতের উত্তর প্রদেশের উপপরিদর্শক (এসআই) ইন্তেসার আলীকে দাড়ি রাখার কারণে চাকরি থেকে বর’খাস্ত করা হয়েছিল। পরে চাকরি ফিরে পাওয়ার জন্য আবেদনও করেছিলেন তিনি। তবে কোনো লাভ হয়নি। শেষ পর্যন্ত দাড়ি কা’টতে রাজি হওয়ায় চাকরি ফিরে পেলেন তিনি। দাড়ি কে’টে কাজেও যোগ দিয়েছেন ইন্তেসার আলী।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, রোববার এই সংক্রান্ত একটি নোটিশ জারি করে ইন্তেসার আলীকে কাজে পুর্নবহাল করার কথা জানানো হয়েছে উত্তর প্রদেশ প্রশাসনের তরফ থেকে। পুলিশ ড্রেস কোড না মেনে দাড়ি রাখার কারণে গত ২০ অক্টোবর বরখাস্ত করা হয়

উত্তর প্রদেশের বাগপত জেলার রামলালা থানার এসআই ইন্তেসার আলীকে। এর আগে পুলিশ সুপার অভিষেক সিং তাঁকে তিনবার দাড়ি কে’টে ফেলার নির্দেশ দিলেও রাজি হননি তিনি। এরপরই অনুমতি ছাড়া দাড়ি রাখার জেরে তাঁকে বর’খাস্ত করা হয়।

বর্তমানে নিজের আগের অবস্থান থেকে সরে এসে দাড়ি কা’টতে রাজি হওয়ায় তাঁকে চাকরিতে পুনর্বহাল করা হচ্ছে জানিয়েছে একাধিক সংবাদমাধ্যম। এ বিষয়ে বাগপত জেলার পুলিশ সুপার অভিষেক সিং বলেন, ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নিয়ে

দাড়ি রাখার জন্য বাগপত জেলার এসআই ইন্তেসার আলীকে বর’খাস্ত করা হয়েছিল। আজ তিনি আমার কাছে লিখিত আবেদন করেছেন যে, পুলিশ ম্যানুয়াল মেনে তিনি দাড়ি কা’টতে রাজি আছেন। তাই সাসপেনশন প্রত্যা’হার করে তাঁকে ফের কাজে যোগ দিতে বলা হয়েছে।’

সারাদেশে প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি বন্ধ

চলমান মহা’মা’রি করোনা ভাই’রা’সের কারণে সারা দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) দেশের আটটি বিভাগের উপ-পরিচালককে এই নির্দেশনা দিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক (পলিসি ও অপারেশন) খালেদ আহম্মেদ স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়েছে, মহা’মা’রি করোনা ভাই’রা’সের কারণে সারাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় শিক্ষকদের সকল প্রকার বদলি কার্যক্রম বন্ধ রাখা সমীচীন।

তাই করোনার কারণে বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় শিক্ষকদের সব ধরনের বদলি বন্ধ রাখার জন্য অনুরোধ করা হল। গত দুই বছর ধরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষকদের ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে শিক্ষক ভর্তি অনলাইন মাধ্যমে করার প্রস্তুতি চলছে।

২০২১ সাল থেকে শিক্ষক বদলি আধুনিকায়ন করা হবে বলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে। এদিকে, গত মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) এক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, প্রাক প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক পদে ২৫ হাজার ৬৩০ জনকে নেওয়া হবে

এবং প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক পদে ৬ হাজার ৯৪৭ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। প্রাথমিকের ইতিহাসে এটাই সবচেয়ে বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বলে জানা গেছে। এতে শূন্য পদ এবং সৃষ্ট পদ মিলিয়ে ৩২ হাজার ৫৭৭ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, দেশে বর্তমানে ৬৫ হাজার ৬২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। সেখানে তিন লাখের বেশি শিক্ষক রয়েছেন। সবশেষ ২০১৮ সালে ১৮ হাজার ১৪৭ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়।