মহা’মারী করোনা চলাকালে ফুসফুস ভালো রাখতে যা খাবেন

641

বিশ্বজুড়ে এখনো করোনাভাই’রাসের দাপট অব্যাহত রয়েছে। ভাই’রাসটি ফুসফুসে সংক্র’মণ সৃষ্টি করে। এতে রোগীর জীবন হুম’কির মুখে চলে যাচ্ছে।

এটা নতুন করে বলার প্রয়োজন নেই যে, শরীরের কার্যক্রম ভালোভাবে সচল রাখতে ফুসফুসগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ফুসফুসগুলো প্রতিনিয়ত বায়ু গ্রহণ করছে, এর পাশাপাশি বায়ু দূষণকারী পদার্থের সংস্পর্শেও আসছে।

এ সব বায়ু দূষক শ্বাসতন্ত্রীয় স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁ’কি বৃদ্ধি করছে, যেমন- অ্যাজমা, ব্রঙ্কাইটিস, সিস্টিক ফাইব্রোসিস, নিউমোনিয়া ও অন্যান্য। ফুসফুস দুটিকে সুস্থ রাখার একটি ভালো উপায় হচ্ছে নিয়মিত শরীরচর্চা করা ও স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া।

স্বাস্থ্যকর খাবার অসুস্থতা থেকে সুরক্ষিত রাখে ও জীবনের আয়ু বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এখানে ফুসফুসকে সক্রিয় ও কার্যক্ষম রাখতে সাহায্য করে এমন কিছু খাবার উল্লেখ করা হলো-

রসুন: রসুনে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। ফুসফুসের ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁ’কি কমাতে রসুন ভূমিকা পালন করে।

পানি: পানি ফুসফুস পরিষ্কার রাখে। ফুসফুস ভালো রাখতে প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমান পানি পান করতে হবে।

আপেল ও টমেটো: যারা অতীতে ধুমপান করতেন তাদের জন্য আপেল এবং টমেটো খুবই উপকারী। আপেলে উচ্চ মাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। আপেলে থাকা ফেনোলিক যৌগ ও ফ্ল্যাভনয়েড শরীরের প্রদাহ কমায়।

ভিটামিন ডি: ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার যেমন: দুধ ও ডিম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে এবং ক্ষতির হাত থেকে ফুসফুসকে রক্ষা করে। এছাড়াও এটি করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করে শরীরকে সুস্থ রাখে।

গ্রিন টি: গ্রিন টি তে উচ্চ মাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। নিয়মিত গ্রিন টি খেলে ফুসফুস ভালো থাকে। ২০১৭ সালে কোরিয়ান এক গবেষণা থেকে জানা গেছে, যারা নিয়মিত দুই কাপ গ্রিন টি পান করেন, তাদের ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়িয়ে তোলে।

ফ্যাটি অ্যাসিড: ফ্যাটি অ্যাসিডসমৃদ্ধ সামুদ্রিক মাছ ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়ায়।

বাদাম ও বীজ: বাদাম ও বিভিন্ন বীজ ফুসফুস ভালো রাখতে সহায়তা করে। মিষ্টি কুমড়ার বীজ, সূর্যমুখীর বীজ, আখরোট, পেস্তাবাদাম ও কাজুবাদামে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেশিয়াম ও খনিজ রয়েছে। এসব খাবার শরীর ভালো রাখতে সহায়তা করে।

ব্রোকলি: ব্রোকলিতে উচ্চ পরিমাণে ভিটামিন সি, ক্যারোটিনয়েড, ফোলেট ও ফাইটোকেমিক্যাল পাওয়া যায়- এসবকিছু ফুসফুসকে ধ্বং’সাত্মক উপাদান থেকে রক্ষা করে। ব্রোকলিতে এল-সালফোরাফ্যান নামক সক্রিয় উপাদান রয়েছে, যা কোষকে প্রদাহনাশক জিন সক্রিয় করতে কৌশল খাটায়- এভাবে শ্বাসতন্ত্রীয় সমস্যা এড়াতে সাহায্য করে।

গোলমরিচ: গোলমরিচে থাকা ক্যাপাসেইসিন উপাদান শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা কমায়।