যশোরে বিএসএফের পি’টু’নিতে বাংলাদেশী রাখাল নি”হ’ত

119

যশোরের শার্শার অগ্রভুলোট গ্রামের হানেফ আলী ওরফে খোকা (৩২) নামে এক গরুর রাখাল ভারতের বন্যাবাড়ীয়া ক্যাম্পের বি এস এফের পি’টু’নি’তে গতকাল বুধবার দুপুরে নি”হ’ত হয়েছে। নি”হ’ত ব্যাক্তি শার্শার অগ্রভুলোট গ্রামের শাজাহান আলীর ছেলে।

স্থানীয়রা জানান হানেফ আলী গত মঙ্গলবার রাতে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে গরু আনতে গিয়ে সেখানকার বন্যাবাড়ীয়া সীমান্তে গতকাল বুধবার সকালে বি এস এফের হাতে ধ’রা পড়ে। বি এস এফের বে’ধ’ড়’ক পি’টু’নি’তে হানেফ আলী অ’সু’স্থ্য হয়ে পড়লে তাকে বনগাঁ হাসপাতালে ভর্তি করাহয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃ’ত ঘোষনা করেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য তবিবুর রহমান হানেফ আলী নি’হ’তের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন হানেফ আলী পারিবারিক বি’বা’দে দুদিন আগে রা’গ করে ভারতের মধ্যম গ্রামে তার মামার বাড়ী চলে যান এবং বুধবার সকালে বড়ী ফেরার পথে ভারতে বি এস এফের হাতে ধ’রা পড়ে।

তাদের নি’র্যা’ত’নের এক পর্যায়ে হানেফ আলী মা”রা যান। তার লা”শ বনগাঁ হাসপাতালের ম”র্গে রাখা আছে। বিজিবি কর্তৃপক্ষ বি এস এফ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে লা”শ দেশে আনার চেষ্টা করছে বলেও তিনি জানান ৷

জাপানে জু’য়ার আসর ভেঙে নির্মিত হচ্ছে সর্ববৃহৎ মসজিদ কমপ্লেক্স

একটি অত্যাধুনিক বড় জু’য়ার আসর (পাচিঙ্কু) ভেঙে তৈরী করা হচ্ছে দৃষ্টি নন্দন মসজিদ কমপ্লেক্স। এই জু’য়ার আসর পাচিঙ্কুর ভবনসহ জায়গাটি ক্রয় করতে প্রায় ১৮০,০০০,০০০ জাপানি ইয়েন বা ১৬ লাখ ৬২ হাজার মার্কিন ডলার খরচ হয়েছে।

জাপানের টোকিও শহরের ঠিক গা ঘেঁষেই সাইতামা প্রিপেকচারের কোশিগায়া সিটির গামো স্টেশন এলাকায় এটি নির্মিত হচ্ছে। টোকিও শহর থেকে গামো স্টেশন ট্রেনে ২০ মিনিট। গামো স্টেশন থেকে ১০ মিনিটের হাঁটার দূরত্বে অত্যাধুনিক এই মসজিদ কমপ্লেক্সটির কার্যক্রম শিগগিরই শুরু হচ্ছে।

প্রায় দেড় হাজার স্কয়ার মিটার আয়তনের এই বিশাল কমপ্লেক্সটি কার্যক্রম শুরু হলে এটি হবে জাপানের সর্ববৃহৎ মসজিদ কমপ্লেক্স। এখানে একসাথে অর্ধ শতাধিক গাড়ি পার্কিং করা যাবে। এছাড়াও প্রয়োজনে আশপাশে আরো শতাধিক গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে।

এখানে থাকছে শিক্ষা, গবেষণা, অতিথিদের আবাসন ও ইসলামি সংস্কৃতি বিনিময়ে ইসলামিক কালচারাল ফাউন্ডেশন ও দাওয়াতি বিভাগ। সকল ধর্ম-বর্ণের মানুষ বিশেষ করে জাপানিরা ২৪ ঘন্টা ইসলামি সংস্কৃতি ও মুল্যবোধ সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করতে পারবে। এখানে একসাথে প্রায় ২ হাজার লোক নামাজ আদায় করতে পারবে।

সেই সাথে রয়েছে গাড়ি পার্কিংয়ের বিশাল স্টেশন। প্রবাসী মুসলমান বিশেষ করে বাংলাদেশীদের সহযোগিতায় জাপান সরকার অনুমোদিত সর্ববৃহৎ এ ইসলামিক সেন্টারটি সারা জাপানব্যাপী দাওয়াহ কার্যক্রমের মূল কেন্দ্র বিন্দুতে পরিণত হবে। এটির নাম দেয়া হয়েছে ‘বায়তুল আমান মসজিদ কমপ্লেক্স’।

শিগগিরই বিশাল এ মসজিদটি প্রথম ও দ্বিতীয় তলা নিয়ে কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। পরে আর্থিক সামর্থ ও সময় নিয়ে ১০ তলা বিশিষ্ট পুর্নাঙ্গ কমপ্লেক্স করার পরিকল্পনা রয়েছে। জাপানের সর্ববৃহৎ মসজিদ প্রতিষ্ঠার জন্য সহযোগিতার অনুরোধ জানিয়েছেন ইসলামিক কালচারাল ফাউন্ডেশন জাপান।

জানা যায়, বিশাল এ মসজিদের কার্যক্রমের পাশাপাশি ইসলামি শিক্ষা, কুরআন গবেষণা, জাপানিজদের জন্য সমৃদ্ধ লাইব্রেরি, ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক স্কুল, পূর্ণাঙ্গ হিফজুল কুরআন মাদরাসা চালু করা হবে। এ ছাড়া ধর্মীয় বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠান, ইসলাম ও বর্তমান প্রেক্ষাপটের উপর সেমিনার-সিম্পুজিয়াম, শিশু ও বড়দের পৃথক কুরআন শিক্ষা কার্যক্রম ও জাপানিদের জন্য ইংরেজি ও জাপানি ভাষায় ইসলামি জ্ঞান লাভের বিশেষ বিভাগ থাকছে।

এ ছাড়াও বিভিন্ন দেশ থেকে আগত প্রবাসী মুসলিম কমিউনিটিকে সংগঠিত করে তাদের মাঝে প্রকৃত ইসলামী জীবন বিধানের দায়িত্বানুভূতি জাগিয়ে তোলার সুমহান ব্রত নিয়ে কাজ করবে প্রতিষ্ঠানটি। পাশাপাশি সামাজের কল্যাণমূলক বিভিন্ন ধরণের সামাজিক কাজ বাস্তবায়ন করবে।

মসজিদ কমপ্লেক্সটিতে বর্তমানে যা থাকছে- অত্যাধুনিক সুবিধা সম্বলিত দোতলা বিশিষ্ট ভবনটিতে পুরুষ-নারীদের জন্য পৃথক অজুখানা ও ৫ ওয়াক্ত নামাজের ব্যবস্থা। সাধারণ মুসলিম ও জাপানিজদের জন্য সমৃদ্ধ লাইব্রেরি, ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক স্কুল, পূর্ণাঙ্গ হিফজুল কুরআন মাদরাসা, জাপানিজ ও অন্যদের জন্য ইসলামি দাওয়াহ বিভাগ,

বার্ষিক সাংস্কৃতি বিনিময়ে কারি ফেস্টিভ্যাল ও কোরিওকাই ফর জাপানিজ, ইসলামিক শিক্ষা ও কুরআন গবেষণা কেন্দ্র, রামাদান-ঈদ, নিকাহ কার্যক্রম,ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, স্পেশাল চাইল্ড কেয়ার ও এক্টিভিটি, কাউন্সিলিং, ক্বিরাত-রচনা-কুইজ প্রতিযোগিতা, সীরাত মাহফিল, বিভিন্ন দেশ থেকে আগত মেহমানদের আবাসন ও বিদেশি পর্যটকদের পরিদর্শন, মৃতদেহ গোসলের ব্যবস্থা ও পর্যাপ্ত কার পার্কিং স্টেশন।

উল্লেখ্য, জাপানে প্রতিবছর বাড়ছে মসজিদ। বাড়ছে মুসলমানের সংখ্যা। জাপানের রাজধানী টোকিওসহ সারাদেশে বর্তমানের প্রায় তিন শতাধিক মসজিদ রয়েছে। শুধুমাত্র টোকিওতেই ২ শতাধিক মসজিদ ও মুসাল্লা (নামাজ ঘর) আছে। ১৯৭০ সালের দিকে টোকিওতে মসজিদের সংখ্যা ছিল মাত্র দু’টি।