রাস্তা পাড়ের সময় মাকে ধা’ক্কা মা’রায় শিশুর কাণ্ড দেখে অবাক নেটবিশ্ব

239

বড়জোর ৪ বছর বয়সী এক শিশু মায়ের সঙ্গে জেব্রা ক্রসিং দিয়ে রাস্তা পাড় হচ্ছিল। আর এ সময় দ্রুতগতির একটি গাড়ি ঠিক সময়ে থামতে না পেরে সজোরে ধা’ক্কা দেয় শিশুটির মাকে।

ছিটকে প’ড়ে যান শিশুটির মা। মায়ের এই আ’ঘা’ত পাওয়ার দৃশ্যটি মেনে নিতে পারেনি শিশুটি। মুহূর্তেই প্র’তি’বাদী হয়ে ওঠে সে। গাড়িটিকে লাথি মে’রে ভে’ঙে ফেলার চেষ্টা করে শিশু। যদিও তার ছোট্ট পায়ের লাথি টেরই পায়নি গাড়ির ভেতরে বসা চালক।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভা’ই’রা’ল হয়েছে এমন একটি ভিডিও। মায়ের জন্য এতটুকুন শিশুর টান, আকুতি আর প্র’তি’বাদী রূপ হতবাক করেছে নেটিজেনদের।

প্রশংসায় ভাসছে সেই শিশু। অনেকেই তাকে ‘সত্যিকারের হিরো’ বলে সম্বোধন করছেন। চীনের চংকিং শহরের একটি রাস্তায় ঘটেছে এই ঘটনা। ট্রাফিক পুলিশের সিসি ক্যামেরায় ধ’রা পড়েছে গোটা ঘটনাটি। ভিডিও দেখে নেটিজেনরা সমবে’দ’না জানাচ্ছেন। তবে অনেকেই বলছেন, জেব্রা ক্রসিংয়েও কি পথচারীরা নি’রা’পদ নয়!

কোরআন তেলাওয়াত শুনতে নরওয়ের রাস্তায় দাঁড়িয়ে শত শত মানুষ

একটি পার্কে সাউন্ড বক্সে কোরআনের তিলাওয়াত চলছে। চার পাশে শত শত মানুষ দাঁড়িয়ে তা শুনছেন। কেউ ফুল, কেউ দুই হাত তুলে মুনাজাত করছেন। এমন দৃশ্য দেখা গেলো নরওয়ে।

নরওয়েতে কোরআন অ’ব’মা’ন’নার ঘটনায় যখন সারা বিশ্বের মুসলিমরা ক্ষু’ব্ধ প্র’তি’ক্রি’য়া ব্যক্ত করছে, তখন সম্প্রীতি ও ভালোবাসার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে নরওয়ের মুসলিমরা। গত সপ্তাহে কোরআন অ’ব’মা’ন’নার মতো দুঃখজনক ঘটনার পর তারা নরওয়ের পার্কে সাউন্ড বক্সে কোরআনের তিলাওয়াত বাজিয়েছে। মুসলিমদের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে দেশটির সাধারণ মানুষ।

গত সপ্তাহে নরওয়ের ‘ইসলাম’বি’দ্বে’ষী’ সংগঠন ‘স্টপ ইসলামাইজেশন অব নরওয়ে’ (এসআইএন) ক্রিসচিয়ানসান্ড শহরে ইসলামবি’রো’ধী বি’ক্ষো’ভে’র আয়োজন করে। এতে কোরআন অ’ব’মা’ন’না ও তাতে অ’গ্নি’সং’যো’গের ঘটনা ঘটে। পাকিস্তানি যুবক ওমর ইলিয়াস এ ঘটনার তাৎক্ষণিক প্র’তি’বাদ করেন এবং তাতে বা’ধা দেন।

ঘটনায় বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানসহ মুসলিম বিশ্বে বি’ক্ষো’ভ ও প্র’তি’বাদ হয়। তারা এ ঘটনার উপযুক্ত বিচার ও আ’ট’ক মুসলিম যুবকের মু’ক্তি দাবি করে এবং এ ঘটনার যেন পুনরাবৃত্তি না ঘটে সে ব্যাপারে নরওয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।