শীত কালে যে ৮ কারণে বেড়ে যেতে পারে কোষ্ঠকাঠিন্য, কী করবেন ?

100

অনেকের শীত কালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেড়ে যায়। এ কারণে ম’ল’ত্যাগে অ’সু’বিধা, পেট ব্য’থা, পেট ফো’লা’সহ অস্বস্তি দেখা দেয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অপরিকল্পিত ডায়েট, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসের ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়। তবে কিছু ক্ষেত্রে এই স’ম’স্যা বংশগত।

কোষ্ঠকাঠিন্যের স’ম’স্যা’য় সময় মতো উপযুক্ত ব্যবস্থা না নিতে পারলে তা কোলন ক্যা’ন্সা’রের আ’শ’ঙ্কা বহু গুণ বাড়িয়ে দিতে পারে। কোষ্ঠকাঠিন্যের ফলে শরীর থেকে ম’ল প্রতিদিন স্বাভাবিক ভাবে নির্গত হতে পারে না। পেট ভরে কিছু খাওয়ার ক্ষেত্রেও সব সময় যেন একটা ভ’য় তাড়া করে বেড়ায়।

আসুন এ বার জেনে নেওয়া যাক কোন কোন কারণে বেড়ে যেতে পারে কোষ্ঠকাঠিন্যের স’ম’স্যা-

কোষ্ঠকাঠিন্যের ৮টি প্রধান কারণ:

১. দীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি না খাওয়া।

২. ফাইবার বা আঁশযুক্ত খাবার, শাক-সবজি বা ফল-মূল কম খাওয়া।

৩. দুগ্ধজাত খাবার যেমন- পনির, ছানা ইত্যাদি অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে।

৪. হাঁটা-চলা, শরীর চর্চা ও কায়িক পরিশ্রম না করলে।

৫. অ’সু’স্থ’তার কারণে দীর্ঘ দিন বিছানায় শুয়ে থাকলে।

৬. অত্যাধিক দুশ্চিন্তা বা অ’ব’সাদ হলে।

৭. অন্ত্রনালীতে ক্যা’ন্সা’র হলে।

৮. ডায়াবেটিস হলে।

এ ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের ওষুধের পা’র্শ্বপ্র’তি’ক্রি’য়ার ফলেও কখনও সখনও কোষ্ঠকাঠিন্যের স’ম’স্যা দেখা দিতে পারে। যেমন, ব্য’থা’র ওষুধ, উচ্চ র’ক্ত’চা’পের ওষুধ, গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ, খিঁচুনির ওষুধ সেবনের ফলেও এই স’ম’স্যা শরীরে বাসা বাঁধতে পারে।

যে সব ওষুধের মধ্যে আয়রন, ক্যালসিয়াম ও অ্যালুমিনিয়াম জাতীয় খনিজ পদার্থ থাকে তা কোষ্ঠকাঠিন্যের স’ম’স্যা বাড়িয়ে দিতে পারে। স্নায়ু বা হরমোনের বিভিন্ন ধরনের স’ম’স্যা’র জন্যও কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। এ ছাড়াও দীর্ঘ মেয়াদি কিডনির স’ম’স্যা বা থাইরয়েডের স’ম’স্যা থাকলে কোষ্ঠকাঠিন্যের স’ম’স্যা দেখা দিতে পারে।

কী করবেন?

কোষ্ঠকাঠিন্যে থেকে মুক্তি পাওয়ার বেশ কয়েকটি ঘরোয়া উপায় রয়েছে। মধু, পাতিলেবুর রস, আঙ্গুরের রস, পালং শাক, পেপে আমাদের হজম শক্তি বৃদ্ধি করার পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্যের স’ম’স্যাও দূর করতে সাহায্য করে। এ ছাড়া প্রতিদিন ৫ থেকে ৬ লিটার পানি পান করতে হবে।

হাঁপানিতে আ’ক্রা’ন্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি মহিলাদের !

আমাদের ফুসফুসে অক্সিজেন বহনকারী সরু সরু অজস্র নালি পথ রয়েছে। অ্যালার্জি, ধুলো বা অন্যান্য নানা কারণে শ্বাসনালীর পেশি ফুলে ওঠে এবং অক্সিজেন বহনকারী নালি পথ সঙ্কুচিত হয়ে পড়ে। ফলে আমাদের শরীর তার প্রয়োজনীয় অক্সিজেন পায় না। আর এর থেকেই নিঃশ্বাসের ক’ষ্ট-সহ নানা স’ম’স্যা শুরু হয়।

চিকিত্সকদের মতে, এই রো’গ বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই বংশগত। তবে ইদানীং মাত্রাতিরিক্ত দূ’ষ’ণের ফলে অনেকের মধ্যেই বাড়ছে হাঁপানির স’ম’স্যা। সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, পুরুষদের তুলনায় মহিলারাই বেশি হাঁপানির স’ম’স্যায় ভোগেন।

টেস্টোস্টেরন হরমোন শরীরের রো’গ প্র’তি’রো’ধক কোষের কর্ম-ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করে এবং শরীরে যে কোনও ভা’ই’রাস সং’ক্র’মণে বা’ধা দেয়। চিকিত্সকেরা জানাচ্ছেন, মহিলাদের শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোন না থাকায় তারা অনেক সহজে অ্যাস্থমায় আ’ক্রা’ন্ত হন।

এর আগে একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছিল, শৈশবে মেয়েদের তুলনায় ছেলেদের অ্যাস্থমায় আ’ক্রা’ন্ত হওয়ার ঝুঁ’কি অনেকটাই বেশি থাকে। কিন্তু বয়ঃসন্ধির পর থেকে এই প্র’ব’ণতা বদলে যেতে থাকে।

সেল রিপোর্ট জার্নালে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসের ভ্যান্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষনায় দেখা গিয়েছে, টেস্টোস্টেরন হরমোনের প্রভাবে সাইকোটিন প্রোটিন সৃষ্টিতে বা’ধা পায়। এই সাইটোকিনস প্রোটিন ফুসফুসে শ্লেষ্মা (মিউকাস) তৈরি করে নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসে বাধার সৃষ্টি করে।

তা ছাড়া, সাইটোকিনস প্রোটিনের প্রভাবে সৃষ্ট প্র’দা’হের ফলে শ্বাসনালীর পেশি ফুলে ওঠে এবং অক্সিজেন বহনকারী নালী পথ সঙ্কুচিত হয়ে পড়ে। ফলে আমাদের শরীর প্রয়োজনীয় অক্সিজেন পায় না। আর এর থেকেই নিঃশ্বাসের ক’ষ্ট-সহ নানা শারীরিক স’ম’স্যা শুরু হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হাঁপানি হল ডায়বিটিস বা হাই ব্লা’ড’প্রেশারের মতো একটি অ’সুখ, যা সম্পূর্ণ রূপে নি’রা’ময় করা সম্ভব নয়। কিন্তু স’ত’র্ক’তা অবলম্বন করে চললে আর সঠিক চিকিৎসায় এই রো’গে’র প্র’কো’প নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তাই মহিলাদের নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসে স’ম’স্যা দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত চিকিত্সকের শ’র’ণা’প’ন্ন হওয়া উচিত।