সিলিন্ডারে গ্যাস কতটুকু আছে কিভাবে বুঝবেন ?

695

সাধারণত একটা গ্যাসের সিলিন্ডার কতদিন চলতে পারে, সে সম্পর্কে মোটামুটি একটা ধারণা ব্যবহারকারীদের অনেকেরই আছে। কিন্তু যতই ধারণা থাকুন না কেন, একটা টেনশন কিন্তু থেকেই যায় যে এই বুঝি গ্যাস শেষ হয়ে গেল !

রান্নাবান্নার মাঝে হঠাৎ যদি গ্যাস ফুরিয়ে যায় তাহলেই স’র্ব’না’শ ! কারণ, রান্না চলাকালীন এমনটা হলে ঝক্কি তো কম হয় না! কিন্তু সিলিন্ডারে আর কতটা গ্যাস অবশিষ্ট রয়েছে তা কী করে বুঝবেন?

অনেকেই এ ক্ষেত্রে এলপিজি সিলিন্ডার হাতে তুলে ধরে বা ঝাঁকিয়ে বোঝার চেষ্টা করেন যে, সিলিন্ডারে আর কতটুকু গ্যাস অবশিষ্ট রয়েছে। কিন্তু এ পদ্ধতিতেও অনুমানের উপরেই নির্ভর করতে হয়। নিশ্চিন্ত হওয়া যায় না। তবে একটা পদ্ধতি কাজে লাগিয়ে সহজেই বুঝে নেওয়া যায় যে, সিলিন্ডারে আর ঠিক কতটা গ্যাস অবশিষ্ট রয়েছে। আসুন জেনে নেয়া যাক সেই উপায়…

পদ্ধতি :

১. প্রথমে একটা ভিজে কাপড় দিয়ে এলপিজি সিলিন্ডারটিকে খুব ভালো করে মুছে নিতে হবে। খেয়াল রাখবেন, সিলিন্ডারের গায়ে যেন কোনো ধুলোর আস্তরণ জমে না থাকে।

২. সিলিন্ডার ভালো করে মোছা হয়ে গেলে ২-৩ মিনিট পর দেখবেন, সিলিন্ডারের কিছুটা অংশের ভিজে ভাব শুকিয়ে গিয়েছে আর বাকি অংশ তখনো ভিজে রয়েছে।

৩. সিলিন্ডারের যে অংশটা শুকোতে বেশি সময় নিচ্ছে, সেই অংশটুকুই রান্নার গ্যাসে ভরা রয়েছে। আর যে অংশটা তাড়াতাড়ি শুকিয়ে গিয়েছে, সিলিন্ডারের সেই অংশটি খালি! কারণ, সিলিন্ডারের যে অংশে তরল রয়েছে, সেখানকার তাপমাত্রা খালি জায়গার তুলনায় কিছুটা হলেও কম হবে। তাই সিলিন্ডারের যে অংশে গ্যাস রয়েছে, সেই অংশটির তাপমাত্রা অপেক্ষাকৃত কম বলে শুকোতে বেশি সময় লাগে।

সুতরাং, ‘এই বুঝি গ্যাস ফুরিয়ে গেল’ ভেবে দুশ্চিন্তা করার আর প্রয়োজন নেই। সিলিন্ডারে কতটা গ্যাস রয়েছে তা নিয়ে বিন্দুমাত্র সংশয় থাকলে এই পদ্ধতি কাজে লাগিয়ে নিজেই দেখে নিন।

টাকা জমানোর সহজ ৮টি কৌশল জেনে নিন

আপনি যদি মনে করেন সঞ্চয় করা বেশ কঠিন, তাহলে আপনার ধারণাটি একদম ভুল। অর্থ সঞ্চয় করার জন্য প্রয়োজন শুধু আপনার ইচ্ছার এবং কিছুটা পরিকল্পনা। একমাত্র আপনার স্বদিচ্ছাই পারে আপনাকে সঞ্চয়ী হিসেবে গড়ে তুলতে। আর এই কাজটি করতে সাহায্য করবে এই ফিচার।

১। অল্প থেকে শুরু করুন

প্রতিদিন অল্প অল্প করে সঞ্চয় শুরু করুন। এই কাজটি শুরু করতে পারেন মাটির ব্যাংক দিয়ে। প্রতিদিন মাটির ব্যাংকে অল্প অল্প করে টাকা রাখুন। একসময় দেখবেন এই অল্প অল্প জমানো টাকা একটি বিশাল অঙ্কে পরিণত হয়েছে।

২। আনসাবস্ক্রাইব-

আপনি হয়তো মোবাইলে আনলিমিটেড ইন্টারনেট সার্ভিস চালু রেখেছেন, অথচ সেটি প্রতিদিন ব্যবহার করছেন না। কিংবা প্রতিমাসে এমন একটি ম্যাগাজিন রাখছেন, যা আপনার পড়া হয় না। সেটি বন্ধ করে দিন। এই খরচটি অনেক ছোট মনে হলেও একটা সময়ে গিয়ে এই ছোট খরচটি বড় সঞ্চয় হিসেবে দেখা দেবে।

৩। বাইরে খাওয়া কমিয়ে দিন-

আপনি হয়তো বাইরে খেতে পছন্দ করেন। এই বাইরে খাওয়াটি কমিয়ে ফেলুন। প্রতি সপ্তাহে বাইরে খেতে যাওয়ার পরিবর্তে মাসে একবার খেতে যান। খুব সহজে টাকা জমানোর একটি উপায় হলো বাইরে খাওয়া কমিয়ে দেওয়া। বাইরে খাওয়া বন্ধ করে টাকা জমান।

৪। সবজির বাগান-

বারান্দা কিংবা ছাদের এককোণে সবজি বাগান করুন। এই ছোট বাগানটি সবজি কেনার খরচ কমিয়ে দেবে।

৫। খরচবিহীন দিন কাটান-

সপ্তাহের একটি দিন ঠিক করুন, যেদিন কোনো খরচ করবেন না। প্রতি সপ্তাহে এইরকম একটি দিন পালন করুন। দেখবেন খরচ অনেকখানি কমে গেছে।

৬। কৃপণ বন্ধুদের সাথে সময় কাটান-

কিছু কৃপণ বন্ধু তৈরি করুন এবং তাদের সাথে সময় কাটান। তারা নিজেদের টাকা বাঁচানোর পাশাপাশি আপনার টাকাও বাঁচিয়ে দেবে।

৭। বাজেট তৈরি করুন-

একটি বাজেট নির্ধারণ করুন। যেমন আপনি কত টাকা জমাতে চান সেটি আগে ঠিক করে নিন। তারপর অল্প অল্প করে সঞ্চয় শুরু করুন। প্রতি সপ্তাহে কী কী খরচ আছে তা প্ল্যান করে নিন এবং সে অনুযায়ী টাকা খরচ করুন। পরিকল্পনার বাইরে খরচ না করার চেষ্টা করুন। একটু টাইট বাজেট করুন এতে টাকা সঞ্চয় করা সহজ হবে। না হলে দেখবেন বাড়তি টাকা খরচ হয়ে গেছে।

৮। অপ্রয়োজনীয় জিনিস বিক্রি করে দিন-

আমরা অনেক সময় এমন কিছু জিনিস কিনে থাকি যা আসলে আমাদের প্রয়োজন নেই। এসব জিনিস শুধু ঘরের জঞ্জাল বৃদ্ধি করে আর কিছু না। দরকারি জিনিস ছাড়া অপ্রয়োজনীয় জিনিস বিক্রি করে দিন। এতে আপনার ঘর পরিষ্কার হওয়ার পাশাপাশি হাতে কিছু টাকাও চলে আসবে।