সীমান্তে দেড় শতাধিক পেঁয়াজের ট্রাক, সম্ভাবনা রয়েছে আমদানির

55

পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য ভারত সরকারকে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ। আমদানি নিরবচ্ছিন্ন রাখতে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের অনুরোধ বাংলাদেশের। এদিকে গত রবিবারের আগে টেন্ডার হওয়া পেঁয়াজের চালান আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) থেকে রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।

ফলে পেঁয়াজ আমদানি শুরুর সম্ভাবনা দেখছেন হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারকেরা। তবে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) থেকে হঠাৎ করে পেঁয়াজের রপ্তানিমূল্য বাড়িয়ে ৭৫০ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে উচ্চমূল্যে আমদানি করতে হবে পেঁয়াজ।

গত সোমবার ভারত সরকার তাদের অভ্যন্তরীণ বাজারে সঙ্কটের কারণে মূল্যবৃদ্ধির অজুহাতে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। এরফলে বন্দরের ভারত অংশে ২৫০-৩০০ পেঁয়াজ বোঝাই ভারতীয় ট্রাক আটকা পড়ে।

ভারত থেকে এই দুইদিন আমদানি না হওয়ায় বন্দরের বাজারগুলোতে দামে বড় ধরণের প্রভাব পড়ে। এতে করে ৪০ টাকার পেঁয়াজ এক লাফে ৮০-১০০ টাকায় বেচাকেনা হয়। ভারতের স্থানীয় বাজারে পেঁয়াজ সঙ্কট থাকায় বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করতেই পেঁয়াজ আমদানিতে মূল্য দ্বিগুণ করা হয়েছে বলে দাবি করছেন ভারতীয় ব্যবসায়ীদের।

তবে বাংলদেশি ব্যবসায়ীদের অ’ভি’যোগ, পেঁয়াজ মৌসুমে প্রতিবারেই ভারত এ কাজ করে থাকে। শুধু পেঁয়াজ না প্রতিটি খাদ্যদ্রব্যে এ কাজটি করে ভারত সরকার।

বেনাপোলের বিপরীতে ভারতের পেট্রাপোল বন্দরের রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান মা সরস্বতী এজেন্সির সত্ত্বাধিকারী বাপ্পা মজুমদার জানান, বন্যার কারণে ভারতে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। এর আগে পেঁয়াজ রপ্তানিতে কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকায় ভারতের বাজারে পেঁয়াজের মূল্য আরো বৃদ্ধি পেয়েছে।

এখন বাজারে পেঁয়াজের মূল্য সহনশীল রাখতেই ভারত সরকারের কৃষিপণ্য মূল্য নির্ধারণকারী সংস্থা ন্যাপেড রপ্তানি মূল্য বাড়িয়ে দিয়েছে।

এদিকে হিলি স্থলবন্দর আমদানি রফতানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশিদ ভারতের বালুরঘাটের রপ্তানিকারক রামনাথ সাহার উদ্বৃতি দিয়ে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টায় জানান, গত রবিারের আগে যেসব পেঁয়াজ রপ্তানির জন্য সেদেশের সরকার অনুমতি দিয়ে ছিল,

সেসব পরিমাণের পেঁয়াজ বাংলাদেশে রপ্তানির অনুমতি দিতে পারে। ধারনা করা হচ্ছে কাল বুধবার থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে পেঁয়াজ ঢোকার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি আরও জানান, এটা ভারতের রপ্তানিকারকদের বক্তব্য। কিন্তু এখনো তারা কোনো সরকারি নির্দেশনা পাননি।