স্বাস্থ্য রক্ষায় তরমুজের খোসার গুণাগুণ

322

গ্রীষ্মকালীন ফল তরমুজ। দিন দিন ফলটির চাহিদা বেড়েই চলছে। সেই সাথে দামেও সমান গতিতে চলতে। তবে সম্প্রতি সময়ে বাজারের তরমুজ কেজি ধরে বিক্রি করার জন্য আলোচনার বিষয়ে হয়ে উঠেছে।

তরমুজে ৯২ শতাংশ পানিয় উপাদান যা শরীরের প্রয়োজনীয় পানির চাহিদা পূরণ করে। কিন্তু জানেন কি শুধু তরমুজ নয়, এর খোসাতেও রয়েছে প্রচুর পুষ্টিগুণ। তরমুজ খেতে গিয়ে অনেক সময়ে ভুল করে তরমুজের সাদা অংশ পেটে চলে যায়।

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে: তরমুজের খোসায় ক্যালোরির পরিমাণ খুব কম। এ ছাড়াও এতে থাকা ফাইবার বিপাকক্রিয়াতেও দারুণ সাহায্য করে। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে রোজ খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন তরমুজের খোসা।

তবে খোসার সাদা অংশটি শুধু খাওয়ার উপযোগী। বাইরের সবুজ অংশটি নয়। ভুল করে সবুজ অংশটি খেয়ে ফেললে হজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে: তরমুজের খোসায় রয়েছে ভিটামিন সি। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন সি দারুণ কার্যকর। ভাইরাসজনিত রোগের সঙ্গে লড়তে খেতে পারেন তরমুজের খোসার সাদা অংশ।

ত্বকের যত্নে: যদি আপনার ত্বকে ব্রণ বা মেছতা থাকে, তবে তা থেকে রেহাই পেতে প্রতিদিন তরমুজ খান। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, তরমুজের সমৃদ্ধ ভিটামিন ‘এ’ ত্বকের জন্য উপকারী। নিয়মিত তরমুজ খেলে

আপনার ত্বকের হারিয়ে যাওয়া লাবণ্য ফিরে আসবে। তরমুজের খোসায় রয়েছে লাইকোপেন, ফ্ল্যাভোনয়েড, এবং অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট উপাদান। ত্বকের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে এই উপাদানগুলি অত্যন্ত উপকারী।

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে: তরমুজের খোসায় রয়েছে ‘সাইট্রুলিন’ নামক এক ধরনের অ্যামিনো অ্যাসিড। যা র’ক্ত’নালীগুলিকে প্রসারিত করে এবং র’ক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে। এতে উচ্চ র’ক্ত’চা’পের ঝুঁ’কি কমে। সূত্র: আনন্দ বাজার।