স্বাস্থ্য রক্ষায় তরমুজ বীজের যত গুণ

313

গ্রীষ্মকালের শুরু থেকেই বাজারে তরমুজ পাওয়া যায়। ঘাম ঝড়ানো এই গরমে শরীরে পানির ভারসাম্য বজায় রাখতে তরমুজের জুড়ি মেলা ভার। এই তরমুজ খেয়ে যে বীজ আমরা ফেলে দেই, তারও কিন্তু আছে অনেক গুণ।

তরমুজের বীজ মা’র’ণ ব্যাধি থেকে বাঁচাতে পারে। গবেষকরা বলছেন, তরমুজের বীজে এমন এক রাসায়নিক থাকে যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত কার্যকরী। তাছাড়া তরমুজের বীজে থাকা একাধিক খনিজ অন্তঃসত্ত্বা নারীদের জন্য বিশেষ উপকারী।

তরমুজের বীজে থাকা লাইসিন নামে উৎসেচক ডায়াবেটিস বা মধুমেহ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ডায়াবেটিসে চমকে দেওয়ার মতো ফল দিতে পারে তরমুজের এই বীজ।

তরমুজের বীজে ক্যালোরির মাত্রা অত্যন্ত কম। এছাড়া এর মধ্যে রয়েছে ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন ও ফোলেট, যা অন্তঃসত্ত্বা নারীদের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

তবে এ সবই থাকে তরমুজের বীজের খোলের নিচে থাকা অভ্যন্তরীণ অংশে। ফলে তরমুজের বীজ চিবিয়ে খেলেই তার সম্পূর্ণ উপকার মেলা সম্ভব। কারণ, সাধারণত বীজের ওপরের কঠিন খোল হজম করতে পারে না প্রাণীর পরিপাকতন্ত্র। সূত্র: টাইম অব ইন্ডিয়া

ঈদের আনন্দের পর অতিরিক্ত ওজন ঝরাবেন যেভাবে

ঈদের দিনে নানান মুখরোচক খাবারের আয়োজন। যেসব খাবার সহজেই জিভে জল এনে দেয়। তাছাড়া এক মাস রোজা রাখার পর প্রায় সবারই খাবারের রুটিন বদলে গেছে। ঈদের খাবার-দাবার কিংবা অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যগ্রহণ

যেন আপনার ওজন বাড়িয়ে দিতে না পারে, সেদিকে লক্ষ্য রাখা উচিত। আর যদি ঈদে অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস আপনার ওজন বাড়িয়েও দেয়, তবে তা কীভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব তা জানা জরুরি। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক ঈদের পর ওজন কমাতে যা করা জরুরি-

ধীরে খাওয়ার অভ্যাস করুন

মিষ্টি ও ডুবো তেলে ভাজা খাবার বেশি খেলে তা আপনার ওজন বাড়বেই! আর ঈদে এ ধরনের খাবার বেশি খাওয়া হয়। তাই এই খাবারগুলো যত লোভনীয়ই হোক না কেন, ওজন কমাতে চাইলে তাতে হ্রাস টানতে হবে। তাড়াহুড়ো করে খাবার না খেয়ে, অল্প করে ধীরে খাওয়ার অভ্যাস করুন।

প্রচুর পানি পান করুন

সারাদিন বাড়িতে থাকার কারণে পরিশ্রম কম হয়, তাই পানি পিপাসাও খুব একটা লাগে না। আর এ কারণে আমরাও কম পানি পান করছি। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে খাওয়ার আগে দুই গ্লাস পানি পান করুন।

এটি আপনাকে অতিরিক্ত খাওয়া থেকে বিরত রাখবে। এছাড়াও যখন আপনার শরীর হাইড্রেটেড হয় তখন বিশ্রামে আপনার শক্তি ব্যয় বৃদ্ধি পায়, এর অর্থ হলো আপনি ক্যালরি দ্রুত জ্বালান।

কী খাবেন

একমাস সংযমের পরে ঈদের দিন হঠাৎ উচ্চ-লবণ এবং চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ নয়। খাবার অল্প করে খাওয়া উচিত এবং বিরতি দিয়ে খাওয়া উচিত।

তবে সেই বিরতি যেন খুব লম্বা সময় ধরে না হয়। আপনি যদি ওজন ধরে রাখতে চান, তবে উচ্চ ক্যালোরি স্ন্যাকসে হাত রাখার আগে তাজা ফল এবং শাকসবজি খাওয়া শুরু করুন।

৩০ মিনিট হাঁটুন

খাবারের পাশাপাশি শরীরচর্চায় মনোযোগ দিন। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। লকডাউনের এই সময়ে শরীরচর্চার খুব একটা সুযোগ হয় না অনেকের। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা আপনার ওজন ধরে রাখার ক্ষেত্রে উপকারী হবে। সারাদিন সক্রিয় থাকার জন্য কেউ ‘কথা বলার সময় হাঁটাচলা’ রুটিন অনুসরণ করতে পারেন। এরপর ধীরে ধীরে আপনার রুটিনে দড়ি লাফ এবং দৌড়ানোর অভ্যাস অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন।

ঘুমের দিকে নজর দিন

রমজান মাসে সেহরিতে ওঠার বিষয়টি আপনার ঘুমের রুটিন পুরোপুরি বদলে দেয়। অনেকেই জানেন না, ঘুম যদি পরিপূর্ণ না হয় তবে তা আপনার ওজন কমানোর ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলতে পারে! তাই প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় ঘুম নিশ্চিত করুন।