১১ টি বিয়ে করে সেই ‘হামিদা’ এখন কারাগারে !

667

নাম তার হামিদা বেগম। বয়স ৩৪ বছর। বিয়ে করা তার পেশা।একটি নয় দুটি নয় বিয়ে করেছেন ১১বার। বিয়ে করে কিছুদিন পর সেই স্বামীকে ছেড়ে দেয়া এবং তার কাছ থেকে দেনমোহরের টাকা সহ নানা কৌশলে আরো বেশি করে টাকা হাতিয়ে নেয়া তার ব্যবসা। একে একে ১১টি বিয়ে করলেও তিন-চারটি ছাড়া অধিকাংশ স্বামীর সঙ্গেই কোনো প্রকার বিয়ে বিচ্ছেদ হয়নি হামিদার। তার মূল টার্গেট থাকে প্রবাসি এবং সম্পদশালি ব্যবসায়িরা।

বিয়ে করে দেনমোহর আদায় বাণিজ্যের নায়িকা ১১ বিয়ে করা আলোচিত হামিদা বেগমকে অবশেষে কারাগারে প্রেরণ করেছে আদালত।

আজ ২৬ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হামিদা হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে আদালত তাকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

হামিদা বেগম সরাইল উপজেলার কালীকচ্ছ ইউনিয়নের কলেজপাড়ার মৃত বালু মিয়ার মেয়ে। এর আগে গত ২৪ সেপ্টেম্বর এই আদালতে হামিদার বিরুদ্ধে একটি প্রতারণার মামলা দায়ের করেন সরাইল উপজেলার কালীকচ্ছ ইউপির দৌলতপাড়ার বাসিন্দা মো. জহিরুল ইসলাম।

আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে হামিদার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার আদেশ দিয়েছিলেন। কালীকচ্ছ এলাকার বাসিন্দা মো. শহিদুল ইসলাম জানান, এই নারীর কারণে এখানকার অনেক মানুষ অতিষ্ট। হামিদা প্রতারণার পর মানুষকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা তার পেশা। এ বয়সে এই নারী একে একে ১১টি বিয়ে করেছে।

মো. নাজমুল হোসেন নামে এক ব্যক্তি জানান, হামিদা যতদিন জেলে থাকবে, ততদিন আমাদের এলাকা পাপমুক্ত থাকবে। আমরা আদালতকে অভিনন্দন জানাই। হামিদার পেশা প্রবাসী ও ব্যবসায়ীদের ফাঁদে ফেলে বিয়ের পর তাদের কাছ থেকে দেনমোহর আদায় করা।

মামলার বাদী জহিরুল ইসলাম জানান, হামিদার প্রতারণার শিকার হয়ে আমি আদালতে মামলা দায়ের করি। সে আমার কাছ থেকে সাত লাখ পাঁচ হাজার টাকা নিয়ে একটি চেক দিয়েছিল। সেই চেক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে ডিজঅনার হয়।

এই মামলার বাদীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট আশরাফ উদ্দিন বলেন, প্রতারণার মামলায় বৃহস্পতিবার জামিন নিতে আসলে আদালত হামিদা বেগম নামে ওই নারীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বর্তমানে হামিদা কারাগারে আছেন।

স্ত্রীর সামনে স্বামীকে কেড়ে নিল বিদ্যুৎ

চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলায় চেষ্টা করেও বি’দ্যু’ৎ’স্পৃ’ষ্ট স্বামীকে বাঁচাতে পারেননি স্ত্রী। তবে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্ত্রী গু’রু’ত’র আ’হ’ত হয়েছেন।

বুধবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার সাতবাড়িয়া ইউনিয়নে ৭নং ওয়ার্ডে বি’দ্যু’ৎ’স্পৃ’ষ্টে স্বামী সাবের আহমদের মৃ’ত্যু হয়। এ সময় আহত হন স্ত্রী লাকী আক্তার।

নি’হ’ত স্বামী সাবের আহমদ সাতবাড়ীয়া ইউনিয়নে নগরপাড়া নবাব চেয়ারম্যানের বাড়ির ‘মৃ’ত কবির আহমদের ছেলে।

জানা গেছে, বুধবার রাত ৮টার দিকে সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের নগর পাড়াস্থ নিজ বাড়ির রান্না ঘরে বিদ্যুতের লাইন ঠিক করতে গিয়ে সাবের আহমদ অসাবধানতাবশত বি’দ্যু’ৎ’স্পৃ’ষ্ট হন। এ সময় তার স্ত্রী লাকী আকতার তাকে বাঁ’চা’নো’র জন্য ছুটে এলে সেও গু’রু’ত’র আ’হ’ত হয়।

লাকী আকতারের চি’ৎ’কা’রে স্থানীয়রা বিদ্যুতের মেইন সুইচ বন্ধ করে স্বামীকে ও স্ত্রীকে উদ্ধার করে। তাদের দোহাজারী গ্রিন হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাবের আহমদকে মৃ’ত ঘোষণা করেন। স্ত্রী লাকী আক্তারকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন।

সাতবাড়ীয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আহমদুর রহমান ভেট্টা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।