১১ হাজার টাকা ঘু’ষ দাবি চা-নাস্তা খেতে!

238

নানা অ’নিয়’ম ও দু’র্নী’তির অ’ভিযো’গ উঠেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার (হাওর অঞ্চলের অবকাঠমো ও জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্প) হিলিপের সমন্বয়কারী জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে। অ’ভিযো’গ উঠেছে, চা-নাস্তা করতেই এক ঠিকাদারের কাছে তিনি দাবি করেছেন ১১ হাজার টাকা ঘু’ষ।

এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী মো. লিটন মিয়া গত ১৪ ফেব্রুয়ারি নির্বাহী প্রকৌশলী, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর বরাবর লিখিত অ’ভিযো’গ করেছেন।

লিখিত অভি’যো’গের প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে (হাওর অঞ্চলের অবকাঠমো ও জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্প) হিলিপ’র প্রকল্প পরিচালক বরাবর চিঠি পাঠিয়েছেন নিবার্হী প্রকৌশলী। অ’ভিযো’গ পত্র থেকে জানা যায়,

জেলার নাসিরনগর উপজেলা সদরের চ্যাঙ্গামোড়া সড়কের কাজ সম্পন্ন হয়েছে দুই বছর আগে। ঘু’ষ না দেয়ায় আজও কাজের বিল পাচ্ছেন না ঠিকাদার লিটন মিয়া। তাছাড়া অন্য একটি কাজের জন্য জাকির হোসেন দাবি করেন মোটা অংকের টাকা।

ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিল পরিশোধের ব্যাপারে নির্দেশ দিলেও কোনো কিছুই শুনছেন না এই কর্মকর্তা। বরং বিভিন্ন সময় ঘু’ষ দাবি করে আসছেন হিলিপ কর্মকর্তা জাকির হোসেন। চা-নাস্তা বাবদ ঘু’ষ দাবি করেছেন ১১ হাজার টাকা।

আরও জানা যায়, হিলিপের একজন সিনিয়র প্রকৌশলীর কারণে তার এমন বে’পরো’য়া মনোভাব। ওই প্রকৌশলীর জোরেই স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরকে কোনো ধরনের তোয়াক্কা না করে চালিয়ে যাচ্ছেন তার সকল অ’পক’র্ম।

আবুল কাসেম নামে এক ভু’ক্তভো’গি জানান, ঘু’ষ না পেয়ে মিথ্যা মা’ম’লা দিয়ে জাকির হোসেন আমাকে জেল খাটিয়েছেন। আমি এই অ’ন্যা’য়ের বিচার চাই।

ভুক্তভোগী লিটন মিয়া জানান, ঘু’ষ না দেয়ায় জাকির হোসেন আমাকে দীর্ঘদিন যাবৎ ঘুরাচ্ছেন। কাজ শেষ করেও কাজের বিল পাচ্ছি না। উল্টো বিভিন্ন সময় ভ’য়-ভী’তি প্রদর্শন করে আসছেন। কোনো উপায় না পেয়ে আমি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের নিবার্হী প্রকৌশলী বরাবর লিখিত অ’ভিযো’গ করেছি।

হিলিপের নাসিরনগর উপজেলা সমন্বয়কারী অ’ভিযু’ক্ত জাকির হোসেন জানান, আমার বিরুদ্ধে আনীত অ’ভিযো’গ মিথ্যা।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর যদি কোনো প্রতিবেদন আমার বিরুদ্ধে দিয়ে থাকে তাহলে তা একতরফা বলে দাবি করেন তিনি।

এই ব্যাপারে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শিরাজুল ইসলাম জানান, জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে আনীত অ’ভিযো’গের সত্যতা পেয়েছি। তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য প্রকল্প পরিচালক বরাবর চিঠি পাঠিয়েছি।