যেভাবে প্রবাসী পরিবার টা’র্গে’ট করে তানিয়া, ১০৬ ভরি স্বর্ণ উদ্ধার!

124

রাজধানীর উত্তরার একটি বাসা থেকে ১০৬ ভরি স্বর্ণালংকার, ২০ লাখ টাকা ও ৮ লাখ টাকার সমপরিমাণ বিভিন্ন দেশের মুদ্রাসহ প্র’তার’ক চ’ক্রের এক তরুণীকে গ্রে’ফ’তার করেছে পু’লিশ। মঙ্গলবার রাতে উত্তরার ১২ নম্বর সেক্টরের ১১ নম্বর সড়কের ১৮ নম্বর বাসায়

অ’ভি’যান চালিয়ে এসব স্বর্ণালংকার ও টাকা উ’দ্ধার করা হয়। এর আগে ৯ আগস্ট সাদিয়া ওরফে নদী ওরফে তানিয়া নামের এক তরুণীকে গ্রে’ফতা’র করে বিমানবন্দর থা’না পুলিশ। ওই তরুণীর নামে উত্তরার পূর্ব ও পশ্চিম থানায় একাধিক মা’ম’লা রয়েছে।

বিমানবন্দর জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) আবদুল্লাহ হিল কাফী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, গত কয়েক মাস ধরে উত্তরার বিভিন্ন বাসায় প্রবেশ করে স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও মূল্যবান জিনিসপত্র চু’রি করে নেওয়ার অ’ভিযো’গে এক তরুণীর বি’রুদ্ধে উত্তরার বিভিন্ন থানায় অ’ভিযো’গ পড়ে।

এরপর পুলিশ তাকে খুঁজতে থাকে। ৯ আগস্ট সাদিয়া ওরফে তানিয়াকে গ্রে’ফ’তা’র করা হয়। এরপর তাকে জি’জ্ঞাসাবা’দ শেষে মঙ্গলবার রাত ৯ টা থেকে ভোর ৬ টা পর্যন্ত উত্তরার ১২ নম্বর সেক্টরের ১১ নম্বর সড়কের ১৮ নম্বর বাসার দোতালার একটি ফ্ল্যাটে অ’ভি’যান চালাই।

সেখানে ১০৬ ভরি সোনার অলংকার, ২০ লাখের বেশি টাকাসহ আরও বেশ কিছু বিদেশি মুদ্রা উ’দ্ধার করেছে পুলিশ। বাংলাদেশি টাকায় এসব মুদ্রার বিনিময় মূল্য ৭/৮ লাখ টাকা হতে পারে। ওই ফ্ল্যাট থেকে পুরুষের মানিব্যাগ, নারীদের পার্স, সিম ও মেমোরি কার্ডও উ’দ্ধার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, যেসব বয়স্ক বাবা-মায়ের ছেলে বা মেয়ে প্রবাসে থাকে সেইসব পরিবারে এই তরুণী কৌশলে প্রবেশ করে। তাদের বাসায় গাড়ি ও নগদ ডলার নিয়ে প্রবেশ করে। এরপর তানিয়া নিজেকে ওইসব প্রবাসী ছেলে-মেয়েদের বাবা-মায়ের কাছে নিজেকে তাদের বান্ধবী পরিচয় দিয়ে থাকেন।

বয়স্ক বাবা-মাকে বলে, আমিতো আপনাদের ছেলেমেয়েদের সঙ্গে লন্ডনে থাকি। আজকে আমার একটা বিয়ের দাওয়াত আছে শপিং করতে যাবো, আমার কাছে কিছু ডলার আছে কিন্তু নগদ টাকা নেই। এই ডলারগুলো রেখে আমাকে নগদ কিছু টাকা দিন।

এরপর যখন তারা আলমিরা খুলে টাকা আনতে যায় তখন সে সবকিছু খেয়াল করে। কয়েকদিন পর একটি শাড়ি নিয়ে আবার ওই বাসায় গিয়ে বলে, আন্টি আপনার জন্য একটা শাড়ি নিয়ে এসেছি। চলেন আমার স্বামী আপনাকে দেখতে চেয়েছে, চলুন।

এরপর তাদের শাড়ি পরতে পাঠিয়ে বাসার আলমিরা থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার চু’রি করে পালিয়ে যায়। ইংরেজি ও বাংলায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে কথা বলতে পারা ওই নারীর অভিনব প্র’তার’ণা’র সঙ্গে একটি চ’ক্র জড়িত বলে ধারণা করছে পুলিশ। তাদের খোঁজে পুলিশি অ’ভি’যান অব্যাহত রয়েছে।